রাশিয়ার চিঠি (১৯৪৫)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৫
রাশিয়ার চিঠি (১৯৪৫) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১১
- ১২
- ১৩
- ১৪
- উপসংহার
- গ্রামবাসীদিগের প্রতি
- পল্লীসেবা
- কোরীয় যুবকের রাষ্ট্রিক মত
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪১ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৪৫
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,৭২,৯৫৯ অক্ষর · ১৯টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪১
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
১৯৩০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা চিঠিপত্রের সংকলন। এতে লেখক রাশিয়ার গণশিক্ষা ও সমাজের আমূল পরিবর্তনের প্রশংসা করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগের সীমাবদ্ধতা নিয়েও আলোচনা করেছেন。
A collection of letters by Rabindranath Tagore chronicling his observations during his 1930 visit to the Soviet Union. He examines the rapid progress in mass education and social equality while cautioning against the suppression of individual freedom by the state.
প্রেক্ষাপট
১৯৩০ সালে রবীন্দ্রনাথ যখন সোভিয়েত রাশিয়া সফর করেন, তখন দেশটি এক বিশাল সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। পরাধীন ভারতের অনুন্নত অবস্থার সঙ্গে রাশিয়ার সাধারণ মানুষের দ্রুত উন্নতির তুলনা এই বইটির মূল প্রেক্ষাপট।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত