মানুষের ধর্ম্ম
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৩৩
মানুষের ধর্ম্ম — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- ১
- ২
- ৩
- পরিশিষ্ট
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০২৯ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৩৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,০৯,৭৮১ অক্ষর · ৫টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০২৯
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে দেখিয়েছেন যে মানুষের ধর্ম কোনো আচার-সর্বস্ব বিষয় নয়, বরং তা হলো নিজের ভেতরের দেবত্বকে উপলব্ধি করা। জ্ঞান, কর্ম ও প্রেমের মাধ্যমে ক্ষুদ্র স্বার্থ ত্যাগ করে বৃহত্তর মানবতার সাথে যুক্ত হওয়াই এর মূল লক্ষ্য।
Tagore argues that human religion is not about rituals but about realizing the divinity within oneself. Its ultimate goal is to transcend narrow self-interest and connect with universal humanity through knowledge, action, and love.
প্রেক্ষাপট
এটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়, যা মূলত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে কবির দেওয়া ‘কমলা বক্তৃতা’র সংকলন। ১৯৩০-এর দশকের বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে তিনি মানুষের আধ্যাত্মিক ও বিশ্বজনীন স্বরূপটি এই বইতে তুলে ধরেছেন।