মহাত্মা গান্ধী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৬৩
মহাত্মা গান্ধী — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- প্রবেশক
- গান্ধী মহারাজ
- মহাত্মা গান্ধী
- গান্ধীজি
- চৌঠা আশ্বিন
- মহাত্মাজির পুণ্যব্রত
- ব্রত উদ্যাপন
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৯ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৬৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৫২,০৫৮ অক্ষর · ৮টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৯
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
মহাত্মা গান্ধীর জীবন, আদর্শ এবং তাঁর আন্দোলনের প্রভাব নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন সময়ে লেখা প্রবন্ধ, কবিতা ও ভাষণের সংকলন এটি। বিশেষ করে অস্পৃশ্যতা বিরোধী আন্দোলন এবং গান্ধীজির অনশনের সময়ে কবির নিজস্ব অন্তর্দৃষ্টি ও বিশ্লেষণ এখানে ফুটে উঠেছে।
This is a collection of essays, poems, and speeches by Rabindranath Tagore reflecting on the life, ideals, and movements of Mahatma Gandhi. It particularly highlights Tagore's perspectives during Gandhi's fasts against social inequality and the spiritual essence of his leadership.
যাঁরা আছেন
- মহাত্মা গান্ধী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজ সংস্কারক যাঁর আদর্শ নিয়ে এই গ্রন্থ রচিত
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই গ্রন্থের রচয়িতা যিনি গান্ধীজির দর্শনের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করেছেন
প্রেক্ষাপট
১৯৩০-এর দশকে অস্পৃশ্যতা বর্জন ও ব্রিটিশদের সাম্প্রদায়িক নীতির বিরুদ্ধে গান্ধীজির অনশনের প্রেক্ষাপটে এই রচনার অনেকগুলো তৈরি হয়েছিল। গান্ধীজির প্রয়াণের পর ১৯৬৩ সালে বিশ্বভারতী থেকে এই সংকলনটি গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত