সে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪০
সে — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১১
- ১২
- ১৩
- ১৪
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৩৬ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৪০
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,৩০,১৩৩ অক্ষর · ১৫টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৩৬
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই অনন্য সৃষ্টিতে তাঁর নাতনি পুপুর আবদারে 'সে' নামক এক রহস্যময় ও কাল্পনিক চরিত্রের বিচিত্র গল্প বলা হয়েছে। বাস্তব ও অবাস্তবের সীমানা ছাড়িয়ে এই আখ্যানে লেখক প্রথাগত গল্পের ছক ভেঙে এক নতুন ধরণের আধুনিক রূপকথা তৈরি করেছেন।
This unique work by Rabindranath Tagore features the whimsical tales of a mysterious character named 'Se', created for his granddaughter Pupu. Blending reality and fantasy, the narrative breaks traditional storytelling structures to craft a modern, imaginative fable.
যাঁরা আছেন
- দাদামশায় গল্পের প্রধান কথক যিনি নাতনিকে নানা বিচিত্র অভিজ্ঞতার কথা শোনান।
- পুপু লেখকের নাতনি যে দাদামশায়ের কাছে নিয়মিত নতুন গল্পের আবদার করে।
- সে এক রহস্যময় ও বিমূর্ত চরিত্র যার কোনো ধরাবাঁধা রূপ বা পরিচয় নেই।
- পাতু গল্পের ভেতরে উঠে আসা এক মজাদার ও অদ্ভুত স্বভাবের ব্যক্তি।
প্রেক্ষাপট
১৯৪০ সালে প্রকাশিত এই বইটি রবীন্দ্রনাথের শেষ বয়সের এক নিরীক্ষাধর্মী কাজ। নাতনি নন্দিনী বা পুপুর মনোরঞ্জনের জন্য তিনি গতানুগতিক সাহিত্যের নিয়ম ভেঙে এই বিমূর্ত ও আধুনিক কল্পকাহিনীটি রচনা করেছিলেন।