বিশ্বপরিচয়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৩
বিশ্বপরিচয় — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- পরমাণুলোক
- নক্ষত্রলোক
- সৌরজগৎ
- গ্রহলোক
- ভূলোক
- উপসংহার
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৩৯ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৪৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,৩০,৮৯৫ অক্ষর · ৭টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৩৯
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই বইটিতে জ্যোতির্বিজ্ঞান এবং পরমাণু বিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোকে সহজ বাংলায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মহাবিশ্বের সৃষ্টি, গ্রহ-নক্ষত্রের গতিবিধি এবং বিজ্ঞানের নানা রহস্য নিয়ে লেখক এখানে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
In this book, Rabindranath Tagore explains the complex concepts of astronomy and atomic science in simple Bengali. The author discusses the creation of the universe, the movements of planets and stars, and various mysteries of science.
প্রেক্ষাপট
কবি তাঁর জীবনের শেষ দিকে এই বিজ্ঞান বিষয়ক বইটি লিখেছিলেন এবং এটি প্রখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে উৎসর্গ করেন। সেই সময় সাধারণ মানুষের কাছে বিজ্ঞানের আধুনিক আবিষ্কারগুলো সহজ ভাষায় পৌঁছে দেওয়ার একটি বিশেষ তাগিদ লেখকের মধ্যে কাজ করেছিল।