বাঁশরী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৭
বাঁশরী — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- প্রথম অঙ্ক
- প্রথম দৃশ্য
- দ্বিতীয় দৃশ্য
- তৃতীয় দৃশ্য
- দ্বিতীয় অঙ্ক
- প্রথম দৃশ্য
- দ্বিতীয় দৃশ্য
- তৃতীয় অঙ্ক
- শেষ দৃশ্য
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪৩ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৪৭
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৭৫,০৪৪ অক্ষর · ৭টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪৩
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
উচ্চবিত্ত শিক্ষিত সমাজের প্রেম ও আদর্শের সংঘাত নিয়ে লেখা এই নাটকের কেন্দ্রে রয়েছে বিদুষী নারী বাঁশরী। তার বুদ্ধির দীপ্তি এবং পারিপার্শ্বিক মানুষের সাথে তার মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের টানাটানিই এই কাহিনীর মূল বিষয়।
Centered on the intellectual woman Bansari, this play explores the conflicts of love and ideals within educated high society. The story focuses on her sharp wit and the psychological tensions in her relationships with those around her.
যাঁরা আছেন
- বাঁশরী সরকার একজন উচ্চশিক্ষিত, স্পষ্টভাষী ও বুদ্ধিমতী আধুনিক নারী।
- ক্ষিতীশ একজন জনপ্রিয় সাহিত্যিক যে বাঁশরীর বুদ্ধির কাছে বারবার পরাজিত হয়।
- সুষমা একজন শান্ত ও ধর্মপ্রাণ তরুণী যে আধ্যাত্মিক পথ বেছে নিতে আগ্রহী।
- পুরন্দর একজন আধ্যাত্মিক গুরু যিনি সুষমাকে জীবনের পথ দেখান।
- সতীশ একজন ব্যারিস্টার এবং বাঁশরীর ঘনিষ্ঠ পরিচিত ব্যক্তি।
প্রেক্ষাপট
নাটকটি ১৯৩৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। সেই সময়ের পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত বাঙালি সমাজের মানসিকতা এবং প্রথাগত সংস্কারের সাথে আধুনিকতার দ্বন্দ্ব এই রচনার প্রেক্ষাপট।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত