লাইব্রেরি
১৯৪৮পঞ্চভূত পঞ্চভূত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৮

এই রচনাটি আপনার দেশে এখনও পড়া যাচ্ছে না ২০৪৪

কপিরাইটের মেয়াদ দেশে দেশে আলাদা।

  • বাংলাদেশএখনই
  • ভারতএখনই
  • কানাডাএখনই
  • যুক্তরাষ্ট্র২০৪৪

লেখকের মৃত্যু ১৯৪১ সালে · প্রথম প্রকাশ ১৯৪৮। মেয়াদ শেষ হলে সম্পূর্ণ লেখা এখানেই পাওয়া যাবে।

কোন দেশে কেন — স্বত্বের তথ্য

১৯৪৮পঞ্চভূতরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পঞ্চভূত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৮

১৭টি অংশ · ২,০০,৭৯৭ অক্ষর

পঞ্চভূত — যা জানা আছে

বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।

এই বইয়ে যা আছে

    1. পরিচয়
    2. সৌন্দর্যের সম্বন্ধ
    3. নরনারী
    4. পল্লিগ্রামে
    5. মনুষ্য
    6. মন
    7. অখণ্ডতা
    8. গদ্য ও পদ্য
    9. কাব্যের তাৎপর্য
    10. প্রাঞ্জলতা
    11. কৌতুকহাস্য
    12. কৌতুকহাস্যের মাত্রা
    13. সৌন্দর্য সম্বন্ধে সন্তোষ
    14. ভদ্রতার আদর্শ
    15. অপূর্ব রামায়ণ
    16. বৈজ্ঞানিক কৌতূহল

কোথায় কবে পড়া যাবে

বাংলাদেশএখনই পড়া যায়
ভারতএখনই পড়া যায়
কানাডাএখনই পড়া যায়
যুক্তরাষ্ট্র১ জানুয়ারি ২০৪৪ থেকে

তথ্য

লেখক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রথম প্রকাশ
১৯৪৮
যুগ
বিশ শতক
দৈর্ঘ্য
২,০০,৭৯৭ অক্ষর · ১৭টি অংশ
উৎস
bn.wikisource
যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
১ জানুয়ারি ২০৪৪

শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।

এই বই সম্পর্কে ৪ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট·প্রবন্ধ·সাধু ভাষাখুব বেশি

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই প্রবন্ধ সংকলনে পাঁচটি প্রাকৃতিক উপাদানকে রক্তমাংসের মানুষ হিসেবে কল্পনা করে বিভিন্ন দার্শনিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সাহিত্য, সমাজ এবং মানবপ্রকৃতির নানা জটিল দিক নিয়ে এই পাঁচটি চরিত্রের মধ্যকার বুদ্ধিদীপ্ত বিতর্ক ও সংলাপ এখানে ফুটে উঠেছে।

যাঁরা আছেন

  • ক্ষিতি বাস্তববাদী এবং জাগতিক কাজের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন ব্যক্তি।
  • স্রোতস্বিনী সৌন্দর্যপ্রিয় ও আবেগপ্রবণ নারী যিনি জীবনের অপ্রয়োজনীয় আনন্দকেও গুরুত্ব দেন।
  • দীপ্তি প্রখর বুদ্ধিমান ও তেজোদীপ্ত এক নারী চরিত্র।
  • ব্যোম মরমী ও ভাবুক মানুষ যিনি সবকিছুকে গভীর আধ্যাত্মিক বা দার্শনিক দৃষ্টিতে দেখেন।
  • লেখক পঞ্চভূতের রূপক চরিত্রগুলোর মধ্যে সমন্বয়কারী ও আলোচনার মূল সূত্রধার।

প্রেক্ষাপট

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে লেখা এই প্রবন্ধগুলোতে সমকালীন বঙ্গীয় নবজাগরণের বুদ্ধিবৃত্তিক ছাপ স্পষ্ট। রবীন্দ্রনাথ এখানে পাশ্চাত্য উপযোগবাদী দর্শনের বিপরীতে প্রাচ্যের নন্দনতত্ত্ব ও সৃজনশীলতার সপক্ষে এক অভিনব সাহিত্যিক কাঠামো তৈরি করেছেন।

সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর যে রচনা এখনই পড়া যায়

উৎস: bn.wikisource · পাবলিক ডোমেইন · প্রকাশ ১৯৪৮ · ২,০০,৭৯৭ অক্ষর