সেঁজুতি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৩৮
সেঁজুতি — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- জন্মদিন (১)
- পত্রোত্তর
- যাবার মুখে
- অমর্ত্য
- পলায়নী
- স্মরণ
- সন্ধ্যা
- ভাগীরথী
- তীর্থযাত্রিণী
- নতুন কাল
- চল্তি ছবি
- ঘর ছাড়া
- জন্মদিন (২)
- প্রাণের দান
- নিঃশেষ
- প্রতীক্ষা
- পরিচয়
- পালের নৌকা
- চলাচল
- মায়া
- গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ছুটি
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৩৪ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৩৮
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৩০,১৩২ অক্ষর · ২৩টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৩৪
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ বয়সের একটি কাব্যগ্রন্থ যেখানে তিনি জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে নিজের অনুভূতিগুলো ব্যক্ত করেছেন। জীবনের সায়াহ্নে প্রকৃতির রূপ এবং ফেলে আসা দিনের স্মৃতি কীভাবে নতুন গুরুত্ব নিয়ে ধরা দেয়, তা এই কবিতাগুলোতে ফুটে উঠেছে।
This is a poetry collection from Rabindranath Tagore's later years, where he reflects on the transition between life and death. The verses explore how nature's beauty and memories of the past take on a deeper significance as one nears the end of life's journey.
প্রেক্ষাপট
১৯৩৮ সালে যখন এই বইটি প্রকাশিত হয়, তখন কবি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা ও জরাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন। এই সময়ের লেখায় জাগতিক ব্যস্ততা কাটিয়ে জীবনের গভীরতম সত্য এবং অসীমের সাথে মিলনের এক আকুতি দেখা যায়।