লাইব্রেরি
১৯৫১বিশ্বভারতী বিশ্বভারতী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৫১

এই রচনাটি আপনার দেশে এখনও পড়া যাচ্ছে না ২০৪৭

কপিরাইটের মেয়াদ দেশে দেশে আলাদা।

  • বাংলাদেশএখনই
  • ভারতএখনই
  • কানাডাএখনই
  • যুক্তরাষ্ট্র২০৪৭

লেখকের মৃত্যু ১৯৪১ সালে · প্রথম প্রকাশ ১৯৫১। মেয়াদ শেষ হলে সম্পূর্ণ লেখা এখানেই পাওয়া যাবে।

কোন দেশে কেন — স্বত্বের তথ্য

১৯৫১বিশ্বভারতীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বিশ্বভারতী

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৫১

২০টি অংশ · ১,৭৪,৫৩২ অক্ষর

বিশ্বভারতী — যা জানা আছে

বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।

এই বইয়ে যা আছে

    1. ১
    2. ২
    3. ৩
    4. ৪
    5. ৫
    6. ৬
    7. ৭
    8. ৮
    9. ৯
    10. ১০
    11. ১১
    12. ১২
    13. ১৩
    14. ১৪
    15. ১৫
    16. ১৬
    17. ১৭
    18. ১৮
    19. ১৯

কোথায় কবে পড়া যাবে

বাংলাদেশএখনই পড়া যায়
ভারতএখনই পড়া যায়
কানাডাএখনই পড়া যায়
যুক্তরাষ্ট্র১ জানুয়ারি ২০৪৭ থেকে

তথ্য

লেখক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রথম প্রকাশ
১৯৫১
যুগ
বিশ শতক
দৈর্ঘ্য
১,৭৪,৫৩২ অক্ষর · ২০টি অংশ
উৎস
bn.wikisource
যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
১ জানুয়ারি ২০৪৭

শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।

এই বই সম্পর্কে ৪ ঘণ্টা ৯ মিনিট·প্রবন্ধ·সাধু ভাষাপ্রায় নেই

এই গ্রন্থে শান্তিনিকেতন আশ্রম ও বিশ্বভারতীর আদর্শ নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেওয়া বিভিন্ন বক্তৃতার সংকলন করা হয়েছে। শিক্ষার ধারাকে পুঁথির গণ্ডি থেকে বের করে কীভাবে প্রকৃতির সান্নিধ্যে বিশ্বজনীন করে তোলা যায়, লেখক এখানে সেই দর্শন তুলে ধরেছেন।

প্রেক্ষাপট

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে শান্তিনিকেতন আশ্রম ও পরে ১৯২১ সালে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময়কার বিভিন্ন বক্তৃতা ১৯৫১ সালে এই বইয়ে সংকলিত হয়। ভারতবর্ষের জ্ঞানকে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং বিশ্বকে সাদরে গ্রহণ করার যে আকাঙ্ক্ষা কবির ছিল, তারই প্রতিফলন এই রচনাগুলি।

সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর যে রচনা এখনই পড়া যায়

উৎস: bn.wikisource · পাবলিক ডোমেইন · প্রকাশ ১৯৫১ · ১,৭৪,৫৩২ অক্ষর