গীতালি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৬
গীতালি — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- আশীর্বাদ
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১১
- ১২
- ১৩
- ১৪
- ১৫
- ১৬
- ১৭
- ১৮
- ১৯
- ২০
- ২১
- ২২
- ২৩
- ২৪
- ২৫
- ২৬
- ২৭
- ২৮
- ২৯
- ৩০
- ৩১
- ৩২
- ৩৩
- ৩৪
- ৩৫
- ৩৬
- ৩৭
- ৩৮
- ৩৯
এবং আরও ৬৯টি — মোট ১০৯টি পরিচ্ছেদ।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪২ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৪৬
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৪২,৬৬৯ অক্ষর · ১১০টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪২
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ যা মূলত ঈশ্বরপ্রেম ও আধ্যাত্মিক চেতনার সংকলন। এখানে কবি নিজের ক্লান্তি, সংশয় ও দুঃখ কাটিয়ে স্রষ্টার কাছে সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণের আর্তি জানিয়েছেন।
This is one of Rabindranath Tagore's significant poetry collections, primarily focused on spiritual devotion and divine love. The verses express the poet's desire to surrender his fatigue and sorrows to a higher power in search of peace.
প্রেক্ষাপট
১৩২১ বঙ্গাব্দে বা ১৯১৪ সালে শান্তিনিকেতন ও বুদ্ধগয়ায় থাকাকালীন রবীন্দ্রনাথ এই গান ও কবিতাগুলো রচনা করেন। গীতাঞ্জলি পর্বের পরবর্তী এই সময়ে কবির লেখনীতে আধ্যাত্মিকতা ও জীবনের ধ্রুব সত্যের অনুসন্ধান প্রবল হয়ে উঠেছিল।