হাস্যকৌতুক (১৯৪৬)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৬
হাস্যকৌতুক (১৯৪৬) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- ছাত্রের পরীক্ষা
- পেটে ও পিঠে
- অভ্যর্থনা
- রোগের চিকিৎসা
- চিন্তাশীল
- ভাব ও অভাব
- রোগীর বন্ধু
- খ্যাতির বিড়ম্বনা
- আর্য ও অনার্য
- একান্নবর্তী
- সূক্ষ্ম বিচার
- আশ্রমপীড়া
- অন্ত্যেষ্টি-সৎকার
- রসিক
- গুরুবাক্য
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪২ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৪৬
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৭৬,৯৯৭ অক্ষর · ১৬টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪২
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ছোট ছোট হাস্যরসাত্মক নাটিকার একটি সংকলন। সমাজের নানা অসঙ্গতি, পাণ্ডিত্য জাহির করার মানসিকতা এবং মানুষের অদ্ভুত আচরণকে এখানে কৌতুকের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
This is a collection of short, witty plays and sketches authored by Rabindranath Tagore. It highlights social inconsistencies, intellectual pretensions, and peculiar human behaviors through sharp satire and humor.
যাঁরা আছেন
- মধুসূদন চতুর ও দুষ্টু ছাত্র যে পরীক্ষায় অদ্ভুত সব উত্তর দেয়
- কালাচাঁদ মধুসূদনের শিক্ষক যিনি ছাত্রের আচরণে বারবার বিব্রত হন
- চিন্তামণি যিনি কুসংস্কারকে বিজ্ঞানের তকমা দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন
- নরোত্তম একজন কর্মব্যস্ত ব্যক্তি যাকে অন্যেরা অকারণ কথা শুনিয়ে উত্যক্ত করে
- নবকান্ত আবেগের কথা বলে অন্যকে কাজে যেতে বাধা দেওয়া এক ব্যক্তি
প্রেক্ষাপট
এই নাটিকাগুলি উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মূলত কিশোর ও তরুণ পাঠকদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। তৎকালীন সমাজের অন্ধ কুসংস্কার এবং অহেতুক পাণ্ডিত্য প্রদর্শনের প্রবণতাকে বিদ্রূপ করাই ছিল এই রচনার মূল লক্ষ্য।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত