শারদোৎসব
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৫৮
শারদোৎসব — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- প্রথম দৃশ্য
- দ্বিতীয় দৃশ্য
- গ্রন্থপরিচয়
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৪ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৮
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৬১,৫৬৪ অক্ষর · ৪টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৪
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এই নাটকটি শরতের সৌন্দর্য এবং প্রকৃতির সাথে মানুষের গভীর সম্পর্কের কথা বলে। এখানে জাগতিক হিসেব-নিকেশের বাইরে শিশুদের নির্মল আনন্দ আর মুক্তির এক অনন্য ছবি আঁকা হয়েছে।
This play explores the beauty of autumn and the profound connection between humanity and the natural world. It contrasts worldly materialism with the pure joy and spiritual freedom found by children in nature.
যাঁরা আছেন
- সন্ন্যাসী শিশুদের সঙ্গে উৎসবে মেতে ওঠা এক রহস্যময় এবং ভাবুক ব্যক্তি।
- ঠাকুরদাদা বৃদ্ধ হয়েও শিশুদের খেলার সাথি এবং আমোদপ্রিয় এক চরিত্র।
- লক্ষেশ্বর কেবল নিজের ধনসম্পদ ও লাভ-ক্ষতির হিসেব নিয়ে ব্যস্ত থাকা এক কৃপণ ব্যবসায়ী।
- উপনন্দ মৃত গুরুর ঋণ পরিশোধের জন্য কঠোর পরিশ্রমী এক বালক।
- রাজা আড়ম্বর ত্যাগ করে প্রকৃতির সৌন্দর্য ও সত্যের সন্ধানে বের হওয়া শাসক।
প্রেক্ষাপট
১৯০৮ সালে শান্তিনিকেতনের ব্রহ্মচর্যাশ্রমের ছাত্রদের জন্য এই নাটকটি রচনা করা হয়েছিল। শরতের ছুটির আগে আশ্রমের মুক্ত পরিবেশে অভিনয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ঋতু পরিবর্তনের মহিমা বোঝানোই ছিল লেখকের উদ্দেশ্য।