শ্যামলী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯৪৫)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৫
শ্যামলী (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯৪৫) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- উৎসর্গ
- দ্বৈত
- শেষ পহরে
- আমি
- সম্ভাষণ
- স্বপ্ন
- প্রাণের রস
- হারানো মন
- চিরযাত্রী
- বিদায়বরণ
- তেঁতুলের ফুল
- অকাল ঘুম
- কণি
- বাঁশিওয়ালা
- মিলভাঙা
- হঠাৎ-দেখা
- কালরাত্রে
- অমৃত
- দুর্বোধ
- বঞ্চিত
- অপর পক্ষ
- শ্যামলী
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪১ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৪৫
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৪৯,১৪৫ অক্ষর · ২৩টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪১
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কাব্যগ্রন্থটি মূলত গদ্যকবিতার সংকলন যেখানে জীবনের নানা ছোটখাটো মুহূর্ত ও স্মৃতি ধরা পড়েছে। এতে প্রকৃতিপ্রেম, ফেলে আসা দিন এবং সম্পর্কের গভীরতা সহজ ও সাবলীল ছন্দে প্রকাশিত হয়েছে।
This collection by Rabindranath Tagore is primarily a compilation of prose poems capturing various small moments and memories of life. It expresses love for nature, bygone days, and the depth of relationships in a simple and fluent rhythm.
প্রেক্ষাপট
১৩৪৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি কবির গদ্যকবিতা রচনার ধারায় এক বিশেষ সংযোজন। শান্তিনিকেতনে তাঁর প্রিয় মাটির বাড়ি 'শ্যামলী'র স্নিগ্ধতা ও শান্তি এই কবিতার পরতে পরতে মিশে আছে।