শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৫১
শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রম — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- প্রতিষ্ঠাদিবসের উপদেশ
- প্রথম কার্যপ্রণালী
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪৭ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫১
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৩১,৫৮৭ অক্ষর · ৩টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪৭
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এই বইটিতে শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রমের আদর্শ, শিক্ষার উদ্দেশ্য এবং বিদ্যালয় পরিচালনার বিভিন্ন ব্যবহারিক নিয়মাবলি আলোচিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে প্রাচীন ভারতীয় তপোবনের ঐতিহ্যের সাথে আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় এবং শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
This work discusses the ideals, educational objectives, and practical administrative guidelines of the Santiniketan Brahmacharyashram. Rabindranath Tagore emphasizes character building and the synthesis of ancient Indian heritage with modern pedagogical practices.
প্রেক্ষাপট
১৯০১ সালে রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনে তাঁর স্বপ্নের বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। বিশ শতকের শুরুতে ঔপনিবেশিক শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে প্রকৃতির সান্নিধ্যে মানুষ গড়ার তাগিদে এই আদর্শ ও নিয়মগুলো সংকলিত হয়েছিল।