শিক্ষার বিকিরণ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৩৩
শিক্ষার বিকিরণ — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০২৯ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৩৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১৯,৫৮৮ অক্ষর · ১টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০২৯
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
১৯৩৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া এই ভাষণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শিক্ষার আধুনিক ও প্রাচীন রূপের তুলনা করেছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে কেবল উচ্চবিত্তের জ্ঞানকেন্দ্র না রেখে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এবং বাংলা ভাষায় পাঠ্যবই রচনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
In this 1933 speech at Calcutta University, Rabindranath Tagore compares modern and ancient forms of education. He proposes that the university should not remain an elite center of knowledge but should reach common people and encourage textbooks in the Bengali language.
প্রেক্ষাপট
১৯৩০-এর দশকে ব্রিটিশ ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা ছিল মূলত ইংরেজি-নির্ভর এবং তা সাধারণ গ্রামীণ মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। এই সময়ে দেশের অশিক্ষা ও সাম্প্রদায়িক সমস্যা দূর করার উপায় হিসেবে রবীন্দ্রনাথ শিক্ষার বিকিরণ বা প্রসারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত