নটীর পূজা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৫
নটীর পূজা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- সূচনা
- প্রথম অঙ্ক
- দ্বিতীয় অঙ্ক
- তৃতীয় অঙ্ক
- চতুর্থ অঙ্ক
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪১ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৪৫
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৫৩,৬১০ অক্ষর · ৬টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪১
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
প্রাচীন মগধের রাজপ্রাসাদে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ ও বর্জনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এক সংঘাতের কাহিনি এটি। রাজবাড়ির নটী শ্রীমতীর গভীর ভক্তি ও শেষ পর্যন্ত আত্মদানের মধ্য দিয়ে বুদ্ধের প্রতি চিরন্তন শ্রদ্ধার চিত্র এখানে ফুটে উঠেছে।
This play portrays the conflict between Buddhist ideals and royal authority in ancient Magadha. It follows Shrimati, a court dancer, whose unwavering devotion to Buddha leads to a powerful act of self-sacrifice.
যাঁরা আছেন
- লোকেশ্বরী মহারাজ বিম্বিসারের মহিষী যিনি বৌদ্ধধর্ম ও ব্যক্তিগত ক্ষোভের দ্বন্দ্বে বিদীর্ণ
- শ্রীমতী রাজবাড়ির নটী যার গভীর বৌদ্ধভক্তি নাটকের মূল চালিকাশক্তি
- রত্নাবলী অহংকারী রাজকুমারী যে বৌদ্ধধর্ম ও নটীর অধিকারের ঘোর বিরোধী
- বাসবী রাজকুমারী যে নটীর প্রতি অবজ্ঞা ও ভক্তির দোলাচলে দোদুল্যমান
- উপালি বৌদ্ধ ভিক্ষু যিনি শ্রীমতীকে তার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্ঘ্য নিবেদনের আহ্বান জানান
প্রেক্ষাপট
১৯২৬ সালে শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের জন্মোৎসব উপলক্ষে এই নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়। এটি প্রাচীন বৌদ্ধগ্রন্থ অবদানশতকের একটি কাহিনি অবলম্বনে রচিত যেখানে রাজধর্ম ও ব্যক্তিগত বিশ্বাসের সংঘাত দেখানো হয়েছে।