শোধ-বোধ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৩১
শোধ-বোধ — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- প্রথম অঙ্ক
- প্রথম দৃশ্য
- দ্বিতীয় দৃশ্য
- তৃতীয় দৃশ্য
- চতুর্থ দৃশ্য
- পঞ্চম দৃশ্য
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৩১
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৭২,৫৭৯ অক্ষর · ৬টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০২৭
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি উচ্চবিত্ত সমাজের কৃত্রিম আভিজাত্য ও আড়ম্বরকে ব্যঙ্গ করে লেখা একটি সামাজিক নাটক। সতীশের অমিতব্যয়িতা এবং নলিনীর সঙ্গে তার সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাধ্যমে মধ্যবিত্তের দেউলিয়াপনা এখানে ফুটে উঠেছে।
This social play satirizes the artificial extravagance and pretensions of the upper-middle class. Through Satish's financial recklessness and his complex relationship with Nalini, the story highlights the moral and financial bankruptcy of such a lifestyle.
যাঁরা আছেন
- নলিনী এক বুদ্ধিমতী তরুণী যে মেকি আভিজাত্য ও লোকদেখানো চালচলন পছন্দ করে না।
- সতীশ আভিজাত্য বজায় রাখতে গিয়ে ঋণের জালে জড়িয়ে পড়া এক অস্থিরচিত্ত যুবক।
- মিসেস লাহিড়ি নলিনীর মা, যিনি সামাজিক মর্যাদা ও উচ্চবিত্ত মহলে মেলামেশা নিয়ে অতি সচেতন।
- সুকুমারী সতীশের মামী, যিনি নিজের আভিজাত্য নিয়ে গর্বিত এবং বাড়ির অন্যদের প্রতি রূঢ়।
- বিধু সতীশের মা, যিনি আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে আত্মীয়ের আশ্রয়ে থেকে সন্তানকে আগলে রাখেন।
প্রেক্ষাপট
১৯৩১ সালে ব্রিটিশ শাসিত ভারতে যখন উচ্চবিত্ত বাঙালিদের মধ্যে পাশ্চাত্য আদবকেতার অন্ধ অনুকরণ বাড়ছিল, তখন এই নাটকটি লেখা হয়। রবীন্দ্রনাথ এর মাধ্যমে সামাজিক কৃত্রিমতা ও পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তুলেছেন।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত