জন্মদিনে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯৬০)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৬০
জন্মদিনে (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯৬০) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- সেদিন আমার জন্মদিন
- বহু জন্মদিনে গাঁথা আমার জীবনে
- জন্মবাসরের ঘটে
- আরবার ফিরে এল উৎসবের দিন
- জীবনের আশি বর্ষে প্রবেশিনু যবে
- কাল প্রাতে মোর জন্মদিনে
- অপরাহ্ণে এসেছিল জন্মবাসরের আমন্ত্রণে
- আজি জন্মবাসরের বক্ষ ভেদ করি
- মোর চেতনায়
- বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি
- কালের প্রবল আবর্তে প্রতিহত
- করিয়াছি বাণীর সাধনা
- সৃষ্টিলীলাপ্রাঙ্গণের প্রান্তে দাঁড়াইয়া
- পাহাড়ের নীলে আর দিগন্তের নীলে
- মনে পড়ে, শৈলতটে তোমাদের নিভৃত কুটির
- দামামা ঐ বাজে
- সেই পুরাতন কালে ইতিহাস যবে
- নানা দুঃখে চিত্তের বিক্ষেপে
- বয়স আমার বুঝি হয়তো তখন হবে বারো
- মনে ভাবিতেছি, যেন অসংখ্য ভাষার শব্দরাজি
- রক্তমাখা দন্তপংক্তি হিংস্র সংগ্রামের
- সিংহাসনতলচ্ছায়ে দূরে দূরান্তরে
- জীবনবহনভাগ্য নিত্য আশীর্বাদে
- পোড়ো বাড়ি, শূন্য দালান
- জটিল সংসার
- ফুলদানি হতে একে একে
- বিশ্বধরণীর এই বিপুল কুলায়
- নদীর পালিত এই জীবন আমার
- তোমাদের জানি, তবু তোমরা যে দূরের মানুষ
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৬ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৬০
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ২৬,৪০০ অক্ষর · ৩০টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৬
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
আশি বছর বয়সে উপনীত হয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই কাব্যগ্রন্থে তাঁর জীবনদর্শন, ফেলে আসা দিন এবং আসন্ন বিদায়ের সুর ব্যক্ত করেছেন। একইসাথে সমকালীন বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ নিয়ে কবির গভীর উদ্বেগ ও প্রার্থনা এখানে মূর্ত হয়ে উঠেছে।
As he reached the age of eighty, Rabindranath Tagore expressed his life philosophy, nostalgic memories, and the sense of an approaching end in this collection. Simultaneously, the poems capture the poet's deep concern and prayers regarding the horrors of the contemporary World War and the future of human civilization.
প্রেক্ষাপট
১৯৪০ ও ১৯৪১ সালের দিকে যখন এই কবিতাগুলো লেখা হয়, তখন বিশ্বজুড়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের তাণ্ডব চলছে। কবির নিজের শরীরও তখন অত্যন্ত অসুস্থ ছিল এবং জীবনের শেষ জন্মদিনের স্মৃতিগুলো তিনি শান্তিনিকেতন ও কালিম্পং-এ বসে রচনা করেছিলেন।