চতুরঙ্গ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৮৩
চতুরঙ্গ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- জ্যাঠামশাই
- শচীশ
- দামিনী
- শ্রীবিলাস
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৭৯ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৮৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,১১,৬৭৪ অক্ষর · ৫টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৭৯
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
চারজন মানুষের জীবন ও আদর্শের সংঘাত নিয়ে এই কাহিনী গড়ে উঠেছে। নাস্তিকতা, ধর্মীয় ভাবাবেগ এবং মানবিক প্রেমের টানাপোড়েনে চরিত্রগুলোর বিবর্তন এখানে ফুটে উঠেছে।
The story revolves around the conflicting lives and ideologies of four individuals. It depicts the evolution of characters through the tensions of atheism, religious devotion, and human love.
যাঁরা আছেন
- শচীশ যে সত্যের খোঁজে নাস্তিকতা থেকে আধ্যাত্মিকতার পথে ঘুরে বেড়ায়
- দামিনী এক তেজস্বী নারী যে প্রথাগত নিয়মের বাইরে নিজের অস্তিত্ব প্রকাশ করতে চায়
- শ্রীবিলাস গল্পের কথক এবং শচীশের বন্ধু যে দামিনীর কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ায়
- জ্যাঠামশায় শচীশের কাকা যিনি অত্যন্ত যুক্তিবাদী এবং নাস্তিক ছিলেন
প্রেক্ষাপট
১৯১৬ সালে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলার সমাজ ও ধর্মচিন্তায় যে গভীর আলোড়ন চলছিল তার ছাপ এই লেখায় পাওয়া যায়।
