চিত্রাঙ্গদা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৫৪
চিত্রাঙ্গদা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১১
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫০ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৪
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৩৭,০২০ অক্ষর · ১২টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫০
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
মহাভারতের চিত্রাঙ্গদা ও অর্জুনের উপাখ্যান নিয়ে রচিত এই কাব্যনাট্যটি প্রেমের স্বরূপ নিয়ে আলোচনা করে। রূপের মোহ আর অন্তরের সত্য পরিচয়ের দ্বন্দ্বে বিদীর্ণ এক নারীর আত্মোপলব্ধি এই নাটকের মূল উপজীব্য।
This verse drama explores the true nature of love through the story of Chitrangada and Arjuna from the Mahabharata. It depicts the inner conflict of a woman torn between the temporary illusion of physical beauty and her authentic self.
যাঁরা আছেন
- চিত্রাঙ্গদা মণিপুরের রাজকুমারী যিনি ছদ্মরূপের আড়ালে নিজের সত্য সত্তাকে হারিয়ে ফেলার সঙ্কটে ভোগেন।
- অর্জুন তৃতীয় পাণ্ডব যিনি বনবাসকালে চিত্রাঙ্গদার রূপ ও বীরত্বের আকর্ষণে পড়েন।
- মদন প্রেমের দেবতা যিনি চিত্রাঙ্গদাকে এক বছরের জন্য বিশেষ সৌন্দর্যের বর দিয়েছিলেন।
- বসন্ত ঋতুরাজ যিনি চিত্রাঙ্গদার অঙ্গে চিরযৌবনের লাবণ্য ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
প্রেক্ষাপট
নাটকটি ১৮৯২ সালে উড়িষ্যায় থাকাকালীন রচিত হয়। রবীন্দ্রনাথ মহাভারতের একটি ছোট কাহিনীকে কেন্দ্র করে মানুষের ব্যক্তিত্ব ও জৈবিক কামনার সংঘাতকে এখানে তুলে ধরেছেন।