স্বদেশী সমাজ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৬২
স্বদেশী সমাজ — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- মর্মকথা
- স্বদেশী সমাজ
- ‘স্বদেশী সমাজ’ প্রবন্ধের পরিশিষ্ট
- ‘স্বদেশী সমাজ’ প্রবন্ধ-পাঠ
- স্বদেশী সমাজ: সংবিধান
- পল্লীসমাজ: সংবিধান
- জলকষ্ট
- অহেতুক জলকষ্ট
- সঞ্চয়ন
- পরিশিষ্ট
- গ্রন্থপরিচয়
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৮ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৬২
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,৫১,৬৭৮ অক্ষর · ১২টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৮
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই বইতে ব্রিটিশ সরকারের মুখাপেক্ষী না হয়ে আত্মশক্তির মাধ্যমে নিজেদের সমাজ গঠনের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি গ্রামীণ উন্নয়ন, শিক্ষা এবং সমবায়ের মাধ্যমে দেশকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।
Rabindranath Tagore emphasizes building a self-reliant society through inner strength rather than depending on the British government. He calls for strengthening the nation from within through rural development, education, and collective cooperation.
প্রেক্ষাপট
১৯০৪ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথের এই বিখ্যাত ভাষণটি প্রথম প্রকাশিত হয়। তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে তিনি বিদেশি শাসনের প্রতিবাদে রাজনৈতিক ভিক্ষাবৃত্তির বদলে সামাজিক ও গঠনমূলক কাজের মাধ্যমে দেশসেবার ডাক দিয়েছিলেন।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত