লাইব্রেরি
১৯৫৫চার অধ্যায় চার অধ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৫৫

এই রচনাটি আপনার দেশে এখনও পড়া যাচ্ছে না ২০৫১

কপিরাইটের মেয়াদ দেশে দেশে আলাদা।

  • বাংলাদেশএখনই
  • ভারতএখনই
  • কানাডাএখনই
  • যুক্তরাষ্ট্র২০৫১

লেখকের মৃত্যু ১৯৪১ সালে · প্রথম প্রকাশ ১৯৫৫। মেয়াদ শেষ হলে সম্পূর্ণ লেখা এখানেই পাওয়া যাবে।

কোন দেশে কেন — স্বত্বের তথ্য

১৯৫৫চার অধ্যায়রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

চার অধ্যায় (১৯৫৫)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৫৫

৬টি অংশ · ১,০৪,৪৫৭ অক্ষর

চার অধ্যায় (১৯৫৫) — যা জানা আছে

বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।

এই বইয়ে যা আছে

    1. ভূমিকা
    2. প্রথম অধ্যায়
    3. দ্বিতীয় অধ্যায়
    4. তৃতীয় অধ্যায়
    5. চতুর্থ অধ্যায়

কোথায় কবে পড়া যাবে

বাংলাদেশএখনই পড়া যায়
ভারতএখনই পড়া যায়
কানাডাএখনই পড়া যায়
যুক্তরাষ্ট্র১ জানুয়ারি ২০৫১ থেকে

তথ্য

লেখক
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রথম প্রকাশ
১৯৫৫
যুগ
বিশ শতক
দৈর্ঘ্য
১,০৪,৪৫৭ অক্ষর · ৬টি অংশ
উৎস
bn.wikisource
যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
১ জানুয়ারি ২০৫১

শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।

এই বই সম্পর্কে ২ ঘণ্টা ২৯ মিনিট·উপন্যাস·সাধু ভাষাপ্রায় নেই

এটি ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের পটভূমিতে লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। এলার আদর্শ ও অতীনের ব্যক্তিগত প্রেমের সংঘাতের মধ্য দিয়ে আন্দোলনের নৈতিক সংকট এখানে ফুটে উঠেছে।

যাঁরা আছেন

  • এলা দেশপ্রেমের আদর্শে বিশ্বাসী এক তরুণী যে আন্দোলনের জন্য নিজের ব্যক্তিগত সুখ বিসর্জন দিতে চায়।
  • অতীন এলার প্রতি অনুরাগের কারণে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া এক যুবক যে যান্ত্রিক আদর্শের চাপে পিষ্ট হতে থাকে।
  • নরেশ দাসগুপ্ত এলার বাবা এবং একজন ক্ষমাশীল ও বৈজ্ঞানিক বিচারবুদ্ধিসম্পন্ন অধ্যাপক।

প্রেক্ষাপট

১৯৩৪ সালে সিংহলে থাকাকালীন রবীন্দ্রনাথ এই উপন্যাসটি শেষ করেন। তৎকালীন বাংলায় সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের পন্থা এবং ব্যক্তিজীবনের ওপর তার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে কবির মনে যে প্রশ্ন ছিল, তারই প্রতিফলন এই রচনা।

সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর যে রচনা এখনই পড়া যায়

উৎস: bn.wikisource · পাবলিক ডোমেইন · প্রকাশ ১৯৫৫ · ১,০৪,৪৫৭ অক্ষর