গীতাঞ্জলির পাণ্ডুলিপি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গীতাঞ্জলির পাণ্ডুলিপি — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৬
- ৭
- ৮
- ৩৭
- ৩৮
- ৩৯
- ৪০
- ৪১
- ৪২
- ৫২
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৫,১২২ অক্ষর · ১৫টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধ্যাত্মিক ও ভক্তিমূলক কবিতার সংকলন যেখানে স্রষ্টা ও সৃষ্টির নিবিড় সম্পর্কের কথা বলা হয়েছে। এই কবিতাগুলোতে মানুষের অন্তরের আকুতি, সমর্পণ এবং প্রকৃতির মাঝে পরমেশ্বরের উপস্থিতির কথা ফুটে উঠেছে।
This is a collection of spiritual and devotional poems by Rabindranath Tagore exploring the intimate relationship between the human soul and the Divine. The verses express longing, surrender, and the perception of a higher power within nature and everyday life.
প্রেক্ষাপট
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে রবীন্দ্রনাথ যখন ব্যক্তিগত শোক এবং গভীর আধ্যাত্মিক জিজ্ঞাসার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন এই কবিতাগুলো রচিত হয়। ১৯১০ সালে মূল কাব্যটি প্রকাশিত হওয়ার পর এর ভাবগাম্ভীর্য বিশ্বসাহিত্যে ব্যাপক সমাদর লাভ করে।