আরোগ্য (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯৪৩)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৪৩
আরোগ্য (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯৪৩) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- উৎসর্গ
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১১
- ১২
- ১৩
- ১৪
- ১৫
- ১৬
- ১৭
- ১৮
- ১৯
- ২০
- ২১
- ২২
- ২৩
- ২৪
- ২৫
- ২৬
- ২৭
- ২৮
- ২৯
- ৩০
- ৩১
- ৩২
- ৩৩
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৩৯ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৪৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ২১,১৩৩ অক্ষর · ৩৫টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৩৯
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তিনি অসুস্থ অবস্থায় রোগশয্যায় শুয়ে রচনা করেছিলেন। এই কবিতাগুলোতে মৃত্যুচিন্তার পাশাপাশি পৃথিবীর রূপ-রস ও মানুষের ভালোবাসার প্রতি এক গভীর কৃতজ্ঞতা ফুটে উঠেছে।
This is a collection of poems written by Rabindranath Tagore during his final years while bedridden due to illness. The poems reflect on mortality while expressing profound gratitude for the beauty of the world and human affection.
প্রেক্ষাপট
১৯৪০-৪১ সালে রবীন্দ্রনাথ যখন শান্তিনিকেতনে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন, তখন এই কবিতাগুলো লেখা হয়। জীবনের একদম শেষ পর্যায়ে এসেও পৃথিবীর ধূলিকণাকে 'মধুময়' হিসেবে গ্রহণ করার আকুতি এবং রোগক্লিষ্ট শরীরে মানসিক প্রশান্তি খোঁজার চেষ্টা এখানে স্পষ্ট।