বনবাণী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৬৮
বনবাণী — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- ভূমিকা
- বনবাণী
- বৃক্ষবন্দনা
- জগদীশচন্দ্র
- দেবদারু
- আম্রবন
- নীলমণিলতা
- কুরচি
- শাল
- মধুমঞ্জরী
- নারিকেল
- চামেলিবিতান
- পরদেশী
- কুটিরবাসী
- হাসির পাথেয়
- নটরাজ-ঋতুরঙ্গশালা
- বর্ষামঙ্গল ও বৃক্ষরোপণ-উৎসব
- নবীন
- বসন্ত-উৎসব
- নটরাজ-ঋতুরঙ্গশালা
- অহৈতুক
- আবাহন
- আষাঢ়
- আসন্ন শীত
- উদ্বোধন
- উৎসব
- কালবৈশাখী
- চঞ্চল
- দীপালি
- দোল
- নৃত্য
- প্রার্থনা
- বর্ষার প্রবেশ
- বসন্ত
- বসন্তের প্রবেশ
- বসন্তের বিদায়
- বিলাপ
- বৈশাখ
- বৈশাখ-আবাহন
- বৈশাখের প্রবেশ
- ব্যঞ্জনা
- মনের মানুষ
এবং আরও ১৯টি — মোট ৫৯টি পরিচ্ছেদ।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৬৪ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৬৮
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,১০,০১৩ অক্ষর · ৬০টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৬৪
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এই কাব্যগ্রন্থে গাছপালা এবং প্রকৃতির প্রতি কবির গভীর মমত্ববোধ প্রকাশিত হয়েছে। এখানে শান্তিনিকেতনের বৃক্ষরোপণ উৎসব ও ঋতুচক্রকে কেন্দ্র করে লেখা অসংখ্য গান ও কবিতা সংকলিত আছে।
This collection of poems and songs expresses the poet's deep affection for trees and the natural world. It compiles numerous works centered around the tree-planting ceremonies and the cycle of seasons in Santiniketan.
প্রেক্ষাপট
১৯৩১ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটির অধিকাংশ কবিতা শান্তিনিকেতনের বিভিন্ন ঋতু উৎসব ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানের জন্য রচিত। সমসাময়িক কালে পরিবেশ রক্ষা ও প্রকৃতির সাথে মানুষের আত্মিক যোগ স্থাপনের যে বিশেষ ধারা রবীন্দ্রনাথ শুরু করেছিলেন, এই বইটি তার একটি অনন্য দলিল।