সাহিত্যের স্বরূপ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯৫৮)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৫৮
সাহিত্যের স্বরূপ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯৫৮) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- সাহিত্যের স্বরূপ
- সাহিত্যের মাত্রা
- সাহিত্যে আধুনিকতা
- কাব্যে গদ্যরীতি
- কাব্য ও ছন্দ
- গদ্যকাব্য
- সাহিত্যবিচার
- সাহিত্যের মূল্য
- সাহিত্যে চিত্রবিভাগ
- সাহিত্যে ঐতিহাসিকতা
- সত্য ও বাস্তব
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৪ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৮
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৭৭,৮৭৮ অক্ষর · ১২টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৪
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এই সংকলনে রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যের মূল উদ্দেশ্য, কবিতার সংজ্ঞা এবং গদ্যছন্দের উপযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছেন। বিভিন্ন চিঠিপত্র ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি আধুনিকতা ও সাহিত্যের রসতত্ত্ব নিয়ে নিজের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেছেন।
In this collection, Tagore discusses the fundamental purpose of literature, the definition of poetry, and the utility of prose-rhythm. Through various letters and essays, he presents his well-considered views on modernity and the aesthetics of literary creation.
প্রেক্ষাপট
বিংশ শতাব্দীর তিরিশ ও চল্লিশের দশকে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতা ও নতুন ছন্দ নিয়ে অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিতর্ক চলছিল। সেই সময়ে বিভিন্ন সাময়িকপত্রে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথের এই প্রবন্ধগুলো তাঁর প্রয়াণের পর ১৯৫৮ সালে একত্রে সংকলিত হয়।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত