মুক্তধারা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর · ১৯৫৭
মুক্তধারা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৩ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৭
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৬৮,৮০৭ অক্ষর · ১টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৩
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
উত্তরকূট রাজ্যের প্রকৌশলী বিভূতি একটি বিশাল যন্ত্রের সাহায্যে মুক্তধারা ঝরনাটিকে বেঁধে শিবতরাইয়ের প্রজাদের জল আটকে দেন। এই যান্ত্রিক ও রাজনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে রাজকুমার অভিজিতের আত্মবলিদান এবং ধনঞ্জয় বৈরাগীর অহিংস প্রতিবাদের কাহিনি এখানে রূপকধর্মী হয়ে উঠেছে।
The engineer of Uttarkut constructs a massive machine to dam the waterfall Muktadhara, depriving the people of Shibtarai of their essential water source. The play depicts Prince Abhijit's ultimate sacrifice and Dhananjaya Bairagi's non-violent resistance against technological and imperial oppression.
যাঁরা আছেন
- ধনঞ্জয় বৈরাগী শিবতরাইয়ের প্রজাদের নেতা ও এক আধ্যাত্মিক সাধক।
- রণজিৎ উত্তরকূটের রাজা যিনি শিবতরাইয়ের ওপর নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে চান।
- বিভূতি এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকৌশলী যিনি মুক্তধারা ঝরনার ওপর বিশাল বাঁধটি তৈরি করেছেন।
- গণেশ শিবতরাই অঞ্চলের এক প্রতিবাদী ও সাহসী প্রজা।
- অম্বা জনাই গ্রামের এক অসহায় মা যে তার নিখোঁজ সন্তানকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।
প্রেক্ষাপট
১৯২২ সালে ভারতের অসহযোগ আন্দোলনের উত্তাল সময়ে রবীন্দ্রনাথ এই নাটকটি লিখেছিলেন। এতে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির যান্ত্রিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অহিংস প্রতিরোধ এবং প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্কের গুরুত্ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।