পদ্মাবতী নাটক (১৯৫৫)
মাইকেল মধুসূদন দত্ত · ১৯৫৫
পদ্মাবতী নাটক (১৯৫৫) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- প্রথমাঙ্ক
- দ্বিতীয়াঙ্ক
- প্রথম গর্ভাঙ্ক
- দ্বিতীয় গর্ভাঙ্ক
- তৃতীয়াঙ্ক
- প্রথম গর্ভাঙ্ক
- দ্বিতীয় গর্ভাঙ্ক
- চতুর্থাঙ্ক
- প্রথম গর্ভাঙ্ক
- দ্বিতীয় গর্ভাঙ্ক
- তৃতীয় গর্ভাঙ্ক
- পঞ্চমাঙ্ক
- প্রথম গর্ভাঙ্ক
- দ্বিতীয় গর্ভাঙ্ক
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৫
- যুগ
- আঠারো-উনিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৯১,১২৯ অক্ষর · ১১টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
গ্রিক পুরাণের 'জাজমেন্ট অফ প্যারিস' গল্পের আধারে এই নাটকটি রাজা ইন্দ্রনীল ও রাজকুমারী পদ্মাবতীর কাহিনী বর্ণনা করে। স্বর্গের তিন দেবীর বিবাদ কীভাবে মর্ত্যের মানুষের জীবনে সংকট ও বিরহ ডেকে আনে, তা-ই এখানে প্রধান উপজীব্য।
Based on the Greek myth of the 'Judgment of Paris', this play narrates the story of King Indranil and Princess Padmavati. It portrays how a dispute among three goddesses brings crisis and separation into the lives of mortals.
যাঁরা আছেন
- রাজা ইন্দ্রনীল ইন্দ্রপ্রস্থের রাজা যিনি স্বর্গের তিন দেবীর রূপের বিচারক হন।
- পদ্মাবতী বিদর্ভের রাজকুমারী যার রূপে রাজা মুগ্ধ হন।
- শচী স্বর্গের ইন্দ্রাণী যিনি নিজেকে শ্রেষ্ঠ সুন্দরী প্রমাণের প্রতিযোগিতায় নামেন।
- মুরজা যক্ষরাজ মহিষী যিনি দেবীদের রূপের লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেন।
- রতি প্রেম ও সৌন্দর্যের দেবী যিনি রাজাকে পদ্মাবতীর সন্ধান দেন।
প্রেক্ষাপট
উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে যখন আধুনিক বাংলা নাটকের ভিত্তি তৈরি হচ্ছিল, তখন মাইকেল মধুসূদন দত্ত এটি রচনা করেন। এই নাটকের মাধ্যমেই তিনি প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেছিলেন।