সীতারাম (১৯৩৯)
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় · ১৯৩৯
সীতারাম (১৯৩৯) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- প্রথম খণ্ড
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় খণ্ড
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
- দশম পরিচ্ছেদ
- একাদশ পরিচ্ছেদ
- দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
- ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
- চতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
- ষোড়শ পরিচ্ছেদ
- সপ্তদশ পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় খণ্ড
- প্রথম পরিচ্ছেদ
- দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
- তৃতীয় পরিচ্ছেদ
- চতুর্থ পরিচ্ছেদ
- পঞ্চম পরিচ্ছেদ
- ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
- সপ্তম পরিচ্ছেদ
- অষ্টম পরিচ্ছেদ
- নবম পরিচ্ছেদ
এবং আরও ১৭টি — মোট ৫৭টি পরিচ্ছেদ।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৩৯
- যুগ
- আঠারো-উনিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৩,২২,০৫৮ অক্ষর · ৫৮টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি আঠারো শতকের বাংলার এক হিন্দু জমিদারের স্বাধীন রাজ্য স্থাপন ও শেষ পর্যন্ত তাঁর পতনের কাহিনী। ব্যক্তিগত লালসা এবং ধর্মের জটিলতায় একজন শক্তিশালী রাজার নৈতিক ও রাজনৈতিক বিপর্যয় এই উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে।
This novel tells the story of an 18th-century Bengali landlord who establishes an independent kingdom but eventually faces a tragic downfall. It describes the moral and political collapse of a powerful king due to his personal obsessions and the complexities of religious duty.
যাঁরা আছেন
- সীতারাম এক স্বাধীন হিন্দু রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও রাজা, যিনি ব্যক্তিগত মোহে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।
- শ্রী সীতারামের প্রথমা স্ত্রী, যাঁর রহস্যময় উপস্থিতি রাজার জীবনে বিপর্যয় আনে।
- জয়ন্তী একজন সন্ন্যাসিনী যিনি শ্রী ও রাজাকে আধ্যাত্মিক পথে চালিত করার চেষ্টা করেন।
- নন্দা সীতারামের পতিব্রতা পত্নী যিনি চরম সংকটেও ধৈর্য হারান না।
- গঙ্গারাম নন্দার ভাই, যার হঠকারিতা ও বিশ্বাসঘাতকতা কাহিনীর মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
প্রেক্ষাপট
বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে ১৮৮৭ সালে এই উপন্যাসটি লিখেছিলেন। তৎকালীন হিন্দুধর্মের অনুশীলনতত্ত্ব এবং নিষ্কাম ধর্মের আদর্শ প্রচারের উদ্দেশ্যে আনন্দমঠ ও দেবী চৌধুরাণীর পর এটি ছিল তাঁর শেষ বড় সাহিত্যকর্ম।


