তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৯৬১)
মাইকেল মধুসূদন দত্ত · ১৯৬১
তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৯৬১) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- প্রথম সর্গ
- দ্বিতীয় সর্গ
- তৃতীয় সর্গ
- চতুর্থ সর্গ
- পুনর্লিখিত অংশ
- পরিশিষ্ট
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৬১
- যুগ
- আঠারো-উনিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,২১,১২৩ অক্ষর · ৭টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের কাব্য। সুন্দ ও উপসুন্দ নামক দুই অসুরকে দমন করার জন্য দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার তিলোত্তমা সৃষ্টির পৌরাণিক কাহিনী এখানে বর্ণিত হয়েছে।
This is Michael Madhusudan Dutt's first epic poem written in blank verse. It narrates the Puranic legend of the creation of Tilottama by the divine architect Vishwakarma to defeat the demons Sunda and Upasunda.
যাঁরা আছেন
- ইন্দ্র দেবরাজ, যিনি অসুরদের অত্যাচারে চিন্তিত ও প্রতিকারপ্রার্থী।
- যম মৃত্যুর দেবতা, যিনি দেবতাদের অপমানে ক্রুদ্ধ হয়ে বিশ্ব ধ্বংস করতে চান।
- পবন বায়ুর দেবতা, যিনি দেবতাদের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারে মরিয়া।
- বিশ্বকর্মা দেবশিল্পী, যিনি দেবতাদের আদেশে অপরূপা তিলোত্তমাকে নির্মাণ করেন।
- তিলোত্তমা অপূর্ব সুন্দরী এক নারী, যার রূপ দিয়ে অসুরদের মোহিত ও ধ্বংস করার পরিকল্পনা করা হয়।
প্রেক্ষাপট
উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বাংলা কাব্যের পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দের একঘেয়েমি ভাঙতে এই কাব্যটি রচিত হয়। ইংরেজি ব্ল্যাঙ্ক ভার্স বা অমিত্রাক্ষর ছন্দে বাংলা কাব্য রচনা করা সম্ভব কি না, এমন এক বাজি ধরে মধুসূদন এটি লিখেছিলেন যা বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা করে।