লাইব্রেরি
১৯৩৯দেবী চৌধুরাণী (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১৯৩৯) দেবী চৌধুরাণী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় · ১৯৩৯

এই রচনাটি আপনার দেশে এখনও পড়া যাচ্ছে না

কপিরাইটের মেয়াদ দেশে দেশে আলাদা।

  • বাংলাদেশএখনই
  • ভারতএখনই
  • কানাডাএখনই
  • যুক্তরাষ্ট্র—

লেখকের মৃত্যু ১৮৯৪ সালে · প্রথম প্রকাশ ১৯৩৯। মেয়াদ শেষ হলে সম্পূর্ণ লেখা এখানেই পাওয়া যাবে।

কোন দেশে কেন — স্বত্বের তথ্য

১৯৩৯দেবী চৌধুরাণী (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১৯৩৯)বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

দেবী চৌধুরাণী (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১৯৩৯)

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় · ১৯৩৯

৪৪টি অংশ · ২,৫৩,৬২৪ অক্ষর

দেবী চৌধুরাণী (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১৯৩৯) — যা জানা আছে

বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।

এই বইয়ে যা আছে

  1. প্রথম খণ্ড
    1. প্রথম পরিচ্ছেদ
    2. দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
    3. তৃতীয় পরিচ্ছেদ
    4. চতুর্থ পরিচ্ছেদ
    5. পঞ্চম পরিচ্ছেদ
    6. ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
    7. সপ্তম পরিচ্ছেদ
    8. অষ্টম পরিচ্ছেদ
    9. নবম পরিচ্ছেদ
    10. দশম পরিচ্ছেদ
    11. একাদশ পরিচ্ছেদ
    12. দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
    13. ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ
    14. চতুর্দ্দশ পরিচ্ছেদ
    15. পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ
    16. ষোড়শ পরিচ্ছেদ
  2. দ্বিতীয় খণ্ড
    1. প্রথম পরিচ্ছেদ
    2. দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
    3. তৃতীয় পরিচ্ছেদ
    4. চতুর্থ পরিচ্ছেদ
    5. পঞ্চম পরিচ্ছেদ
    6. ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
    7. সপ্তম পরিচ্ছেদ
    8. অষ্টম পরিচ্ছেদ
    9. নবম পরিচ্ছেদ
    10. দশম পরিচ্ছেদ
    11. একাদশ পরিচ্ছেদ
    12. দ্বাদশ পরিচ্ছেদ
  3. তৃতীয় খণ্ড
    1. প্রথম পরিচ্ছেদ
    2. দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ
    3. তৃতীয় পরিচ্ছেদ
    4. চতুর্থ পরিচ্ছেদ
    5. পঞ্চম পরিচ্ছেদ
    6. ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ
    7. সপ্তম পরিচ্ছেদ
    8. অষ্টম পরিচ্ছেদ
    9. নবম পরিচ্ছেদ
    10. দশম পরিচ্ছেদ
    11. একাদশ পরিচ্ছেদ
    12. দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

এবং আরও ৩টি — মোট ৪৩টি পরিচ্ছেদ।

কোথায় কবে পড়া যাবে

বাংলাদেশএখনই পড়া যায়
ভারতএখনই পড়া যায়
কানাডাএখনই পড়া যায়
যুক্তরাষ্ট্রতারিখ এখনও নির্ধারিত নয়

তথ্য

লেখক
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
প্রথম প্রকাশ
১৯৩৯
যুগ
আঠারো-উনিশ শতক
দৈর্ঘ্য
২,৫৩,৬২৪ অক্ষর · ৪৪টি অংশ
উৎস
bn.wikisource

শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।

এই বই সম্পর্কে ৬ ঘণ্টা ২ মিনিট·উপন্যাস·সাধু ভাষাখুব বেশি

পৈত্রিক বাড়ি থেকে বিতাড়িত এক সাধারণ নারী কীভাবে দেবী চৌধুরাণী নামে এক শক্তিশালী নেত্রী হয়ে ওঠেন, এটি সেই সংগ্রামের কাহিনী। উপন্যাসে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই এবং নিষ্কাম ধর্ম পালনের এক অনন্য চিত্র ফুটে উঠেছে।

যাঁরা আছেন

  • প্রফুল্ল (দেবী চৌধুরাণী) প্রতিকূলতা জয় করে এক দুর্ধর্ষ নারী বাহিনীর নেত্রী হয়ে ওঠা কেন্দ্রীয় চরিত্র।
  • ব্রজেশ্বর প্রফুল্লর স্বামী যে সামাজিক বাধ্যবাধকতা ও ভালোবাসার দ্বন্দ্বে ভোগে।
  • রঙ্গরাজ দেবীর অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহযোগী যে তার সব অভিযানে পাশে থাকে।
  • হরবল্লভ ব্রজেশ্বরের রক্ষণশীল পিতা যার অন্যায়ের কারণে প্রফুল্ল গৃহত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
  • নিশি দেবীর বুদ্ধিমতী সহচরী ও পরামর্শদাতা যে তাকে নানা বিপদে সাহায্য করে।

প্রেক্ষাপট

বঙ্কিমচন্দ্র এটি ১৮৮৪ সালে লিখেছিলেন যখন ব্রিটিশ ভারতে দেশপ্রেমের জোয়ার আসছিল। সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তিনি এক তেজস্বী নারী চরিত্রের মাধ্যমে নিষ্কাম কর্মের আদর্শ প্রচার করতে চেয়েছিলেন।

সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর যে রচনা এখনই পড়া যায়

উৎস: bn.wikisource · পাবলিক ডোমেইন · প্রকাশ ১৯৩৯ · ২,৫৩,৬২৪ অক্ষর