তীর্থ-সলিল
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
তীর্থ-সলিল — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- যুগ
- আঠারো-উনিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৩৬৮ অক্ষর · ১টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি ভারতের মাতৃরূপ ও প্রাকৃতিক সম্পদের বর্ণনা সম্বলিত একটি দেশাত্মবোধক কবিতা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মূল সংস্কৃত রচনার এই বাংলা পদ্য রূপান্তরটি পরাধীন দেশের মানুষের মধ্যে শক্তির সঞ্চার করার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা।
This patriotic poem portrays the natural abundance and the divine mother-like figure of the nation. It is a rhymed Bengali translation of Bankim Chandra Chattopadhyay's original work, intended to inspire strength in a colonized land.
প্রেক্ষাপট
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে পরাধীন ভারতে যখন জাতীয়তাবাদী চেতনার জোয়ার আসছিল, তখন সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এই কবিতাটি অনুবাদ করেন। 'তীর্থ-সলিল' সংকলনের মাধ্যমে তিনি পাঠকদের বিভিন্ন ভাষার শ্রেষ্ঠ রচনার স্বাদ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।


