দেনা-পাওনা
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় · ১৯৫৮
দেনা-পাওনা — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- এক
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
- সাত
- আট
- নয়
- দশ
- এগার
- বার
- তের
- চোদ্দ
- পনের
- ষোল
- সতর
- আঠার
- উনিশ
- কুড়ি
- একুশ
- বাইশ
- তেইশ
- চব্বিশ
- পঁচিশ
- ছাব্বিশ
- সাতাশ
- আটাশ
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৪ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৮
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৩,৫৯,৫৪৮ অক্ষর · ২৯টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৪
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
চণ্ডীগড় গ্রামের অত্যাচারী জমিদার জীবানন্দ এবং মন্দিরের ভৈরবী ষোড়শীর মধ্যকার সংঘাত নিয়ে এই উপন্যাস। প্রজাদের জমি দখল এবং সামাজিক রীতিনীতির আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রধান চরিত্র দুটির ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা এতে ফুটে উঠেছে।
The novel explores the conflict between Jibananda, an oppressive landlord, and Shoroshi, the strong-willed priestess of the village temple. It depicts the villagers' struggle against land seizure alongside the intricate and hidden past relationship between the two protagonists.
যাঁরা আছেন
- জীবানন্দ চৌধুরী চণ্ডীগড় গ্রামের লম্পট ও অত্যাচারী নতুন জমিদার।
- ষোড়শী চণ্ডী মন্দিরের বুদ্ধিমতী ও দৃঢ়চেতা ভৈরবী যার আসল নাম অলকা।
- নির্মল শিক্ষিত এক যুবক যে ষোড়শীর ব্যক্তিত্বের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল।
- এককড়ি নন্দী জমিদারের চতুর এবং কুচক্রী গোমস্তা।
- বিপিন মাইতি গ্রামের এক প্রবীণ প্রজা যে জমি রক্ষার লড়াইয়ে ভৈরবীর সাহায্য চায়।
প্রেক্ষাপট
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে গ্রামবাংলার ক্ষয়িষ্ণু জমিদারি প্রথা এবং কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজব্যবস্থার পটভূমিতে এটি রচিত। লেখক এই উপন্যাসে সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত নৈতিকতার লড়াই এবং নারীর অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত