নিষ্কৃতি (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১৯৫২)
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় · ১৯৫২
নিষ্কৃতি (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১৯৫২) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- এক
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
- সাত
- আট
- নয়
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪৮ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫২
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৮৩,৯৬৮ অক্ষর · ১০টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪৮
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
ভবানীপুরের চাটুজ্জে পরিবারের তিন ভাই ও তাঁদের স্ত্রীদের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে এই উপন্যাসটি লেখা। সংসারে মেজবৌ ও ছোটবৌর মধ্যকার কলহ কীভাবে একটি একান্নবর্তী পরিবারকে ভাঙনের মুখে দাঁড় করায়, তা এখানে নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।
This novel portrays the complex relationships and tensions among the three brothers and their wives in the Chatterjee family of Bhawanipur. It vividly describes how internal conflicts between the sisters-in-law push a traditional joint family toward disintegration.
যাঁরা আছেন
- গিরীশ পরিবারের বড় ভাই এবং সফল উকিল যিনি সকলকে আগলে রাখতে চান।
- সিদ্ধেশ্বরী গিরীশের স্ত্রী ও বাড়ির প্রধান কর্ত্রী যিনি অসুস্থতা সত্ত্বেও সংসার সামলান।
- রমেশ খুড়তুতো ছোট ভাই যিনি ব্যবসায়িক ক্ষতির পর বাড়িতেই থাকেন।
- শৈলজা রমেশের স্ত্রী ও ছোটবৌ যে বড়জায়ের অত্যন্ত প্রিয় হলেও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়।
- নয়নতারা মেজবৌ যার প্ররোচনায় একান্নবর্তী পরিবারে ফাটল ধরতে শুরু করে।
প্রেক্ষাপট
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে যখন বাংলার চিরাচরিত একান্নবর্তী পরিবারগুলো ভেঙে একক পরিবারে পরিণত হচ্ছিল, সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে এটি রচিত। উপন্যাসটি প্রথম ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হয় এবং সমকালীন বাঙালি মধ্যবিত্ত সমাজের পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয়কে তুলে ধরে।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত