জয়তু নেতাজী (১৯৫০)
মোহিতলাল মজুমদার · ১৯৫০
জয়তু নেতাজী (১৯৫০) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- নিবেদন
- দ্বিতীয় সংস্কবণের ভূমিকা
- নব-পুরুষসূক্ত বা নেতাজী-বরণ
- স্বামীজী ও নেতাজী
- গান্ধীজী ও নেতাজী
- নেতাজী
- আদর্শ নেতা
- সুভাষচন্দ্রের কয়েকটি উক্তি ও মন্তব্য
- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে বিদেশীর সাহায্য-গ্রহণ
- নেতাজীর বেতার-বার্ত্তা
- গান্ধী ও গান্ধী-কংগ্রেস সম্পর্কে সুভাষচন্দ্র
- নেতাজীর জন্মদিনে
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪৬ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- মোহিতলাল মজুমদার
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫০
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৩,৩৮,৮৫৮ অক্ষর · ১৩টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪৬
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এই প্রবন্ধগ্রন্থে লেখক সুভাষচন্দ্র বসুর রাজনৈতিক আদর্শ এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর আপোষহীন সংগ্রামের যৌক্তিকতা আলোচনা করেছেন। গান্ধীজীর অহিংস নীতি ও তৎকালীন কংগ্রেসের কর্মপদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করে লেখক নেতাজীর দূরদর্শিতাকে তুলে ধরেছেন।
In this collection of essays, the author explores Subhash Chandra Bose's political philosophy and the necessity of his uncompromising struggle for Indian independence. The book presents a sharp critique of Gandhi's non-violence and Congress policies while highlighting Netaji's vision.
প্রেক্ষাপট
১৯৫০ সালে ভারতের স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই এই বইটি প্রকাশিত হয়। লেখক তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির নিরিখে নেতাজীর সংগ্রাম ও কংগ্রেসের আপোষকামী নীতির একটি তুলনামূলক ঐতিহাসিক বিচার করেছেন।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত