লালন-গীতিকা
লালন · ১৯৫৮
লালন-গীতিকা — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- ২৪১
- ৮৬
- ১১০
- ১৪৪
- ৩৯৪
- ২৪
- ৩০
- ১৮৭
- ৩৯৫
- ৪২৯
- ২৯৫
- ৯০
- ৩৮০
- ৮০
- ৭
- ১৪৯
- ৫৭
- ৫২
- ৪৪৩
- ২৩১
- ২২
- ৪৫
- ৫৫
- ২৮৫
- ৮৪
- ৬
- ১
- ৩
- ২০১
- ৪
- ৭৭
- ১৪৭
- ৯১
- ৩২৮
- ৪৩১
- ২৮
- ৬৮
- ১৮
- ২৫৫
- ১৯৭
এবং আরও ২০৬টি — মোট ২৪৬টি পরিচ্ছেদ।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- লালন
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৮
- যুগ
- আঠারো-উনিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৯২,৮৫৪ অক্ষর · ২৪৭টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
লালন শাহের কালজয়ী বাউল গান ও আধ্যাত্মিক পদাবলির একটি প্রামাণ্য সংকলন এটি। এই গানগুলোতে মানুষের দেহের মধ্যে পরমাত্মার উপস্থিতি এবং প্রচলিত ধর্মের সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
This is a definitive collection of the timeless Baul songs and spiritual verses composed by Lalon Shah. The lyrics explore the presence of the divine within the human body and critique the limitations of formal religious boundaries.
প্রেক্ষাপট
লালন শাহ উনিশ শতকে এই পদগুলো মুখে মুখে রচনা করলেও ১৯৫৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এই বড় সংকলনটি প্রকাশ করে। এটি বাংলার লোকজ দর্শনকে প্রাতিষ্ঠানিক গবেষক ও শিক্ষিত পাঠকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ছিল।
সারাংশ ও প্রেক্ষাপট শঙ্খচিল এআই-এর লেখা (gemini-3-flash) · মূল পাঠ অপরিবর্তিত