বীরবাহু কাব্য (১৯৫৩)
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় · ১৯৫৩
বীরবাহু কাব্য (১৯৫৩) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৬৫,৫৩৬ অক্ষর · ১টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি একটি কাল্পনিক আখ্যানকাব্য যেখানে পরাধীন ভারতবর্ষের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারে এক বীর যোদ্ধার সংগ্রামের কাহিনী চিত্রিত হয়েছে। কাব্যের নায়ক বীরবাহু তার অপহৃত স্ত্রী হেমলতাকে উদ্ধার করতে এবং বিদেশিদের হাত থেকে স্বদেশকে মুক্ত করতে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন।
This is a fictional narrative poem depicting the struggle of a heroic warrior to restore the lost glory of a subjugated India. The protagonist Birbahu embarks on a war to rescue his abducted wife, Hemlata, and free his homeland from foreign invaders.
যাঁরা আছেন
- বীরবাহু কাব্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র ও একজন তেজস্বী দেশপ্রেমিক যোদ্ধা।
- হেমলতা বীরবাহুর স্ত্রী যিনি শত্রুর কারাগারে বন্দিনী হয়ে স্বামীর জন্য প্রতীক্ষা করছেন।
- কলিঙ্গরাজ বীরবাহুর শ্বশুর যিনি জামাতাকে সৈন্য ও যুদ্ধজাহাজ দিয়ে সাহায্য করেন।
প্রেক্ষাপট
১৮৬৪ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মজীবনের শুরুর দিকের রচনা। সিপাহি বিদ্রোহের পরবর্তী সময়ে যখন বাঙালি কবিদের মধ্যে দেশাত্মবোধ জাগ্রত হচ্ছিল, তখন তিনি এই কাল্পনিক কাহিনীর মাধ্যমে ভারতবাসীর বীরত্বকে তুলে ধরেন।