আশাকানন
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় · ১৯৫৩
আশাকানন — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- প্রথম কল্পনা
- দ্বিতীয় কল্পনা
- তৃতীয় কল্পনা
- চতুর্থ কল্পনা
- পঞ্চম কল্পনা
- ষষ্ঠ কল্পনা
- সপ্তম কল্পনা
- অষ্টম কল্পনা
- নবম কল্পনা
- দশম কল্পনা
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৮৩,০৪৭ অক্ষর · ১১টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এটি কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি সাঙ্গ-রূপক কাব্য, যেখানে রূপকের আশ্রয়ে মানুষের জীবন ও বিচিত্র প্রবৃত্তিগুলোকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কাব্যের মূল চরিত্র এক পথিক, যে ‘আশা’র হাত ধরে এক মায়াবী কাননে প্রবেশ করে এবং জীবনের চড়াই-উতরাই ও সুখ-দুঃখের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়।
This is an allegorical epic by Hemchandra Bandyopadhyay that portrays human nature and life's journey through symbolic imagery. The narrator enters a mystical garden guided by 'Hope', witnessing various stages of life like marriage and facing the eventual realization of hope's deceptive nature.
যাঁরা আছেন
- আশা এক মায়াবী পথপ্রদর্শক যে কবিকে তার স্বপ্নিল কাননে পথ দেখিয়ে নিয়ে চলে।
- বিবেক এক জ্যোতির্ময় ঋষি যে কবিকে আশার ছলনা সম্পর্কে সতর্ক করে সত্যের পথ দেখায়।
- শোক বনের গভীরে অবস্থানরত এক বিষাদময়ী মূর্তি যে মানুষের দুঃখের রূপ ফুটিয়ে তোলে।
প্রেক্ষাপট
১৮৭৬ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটি রচনার সময় বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য রূপকধর্মী রচনার প্রভাব বাড়ছিল। হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এই কাব্যে মানুষের চিরন্তন মনস্তত্ত্ব ও জীবনদর্শনকে নতুন আঙ্গিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।