ইছামতী
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় · ১৯৫৯
ইছামতী — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৫ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৯
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৪,১৫,৩০৭ অক্ষর · ১টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৫
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
ইছামতী নদীর তীরের শান্ত প্রকৃতি এবং উনিশ শতকের মধ্যভাগের গ্রামীণ সমাজকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসটি লেখা। নীলকর সাহেবদের অত্যাচার এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সুখ-দুঃখ ও আধ্যাত্মিক জিজ্ঞাসার এক নিপুণ বর্ণনা এখানে পাওয়া যায়।
Set along the banks of the Ichhamati River, this novel depicts rural life and nature in mid-19th century Bengal. It chronicles the struggles against indigo planters alongside the spiritual and social experiences of the local villagers.
যাঁরা আছেন
- ভবানী বাঁড়ুয্যে আধ্যাত্মিকতা ও শাস্ত্রীয় আলোচনায় আগ্রহী এক উদারমনা ব্রাহ্মণ।
- তিলু ভবানীর স্ত্রী, যিনি দৃঢ় ব্যক্তিত্ব ও কাণ্ডজ্ঞানের অধিকারী।
- রামকানাই কবিরাজ সহজ-সরল ও সত্যনিষ্ঠ এক গ্রামীণ চিকিৎসক।
- নিস্তারিণী এক চঞ্চল তরুণী যার গোপন প্রণয় কাহিনী গ্রামে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।
- নালু পাল নীলকুঠির সমসাময়িক কালে জীবিকা নির্বাহ করা এক যুবক।
প্রেক্ষাপট
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই শেষ প্রধান উপন্যাসটি ১৯৫০ সালে তাঁর মৃত্যুর ঠিক পরে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উনিশ শতকের নীলকুঠির আমল এবং তৎকালীন গ্রামীণ বাংলার আর্থ-সামাজিক বিবর্তনকে কেন্দ্র করে এটি রচিত হয়েছে।