নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় · ১৯৫৯
নীলগঞ্জের ফালমন সাহেব — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- আচার্য কৃপালনী কলোনি
- নীলগঞ্জের ফালমন্ সাহেব
- বরো বাগদিনী
- প্রভাতী
- সাহায্য
- গিরিবালা
- চিঠি
- মড়িঘাটের মেলা
- হাজারি খুঁড়ির টাকা
- প্রত্যাবর্তন
- পড়ে পাওয়া
- আমার ছাত্র
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৫ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৯
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,৩৩,৬২৬ অক্ষর · ১৩টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৫
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
এই বইটিতে দেশভাগ-পরবর্তী সময়ের সামাজিক অস্থিরতা এবং মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের বিষাদময় স্মৃতি তুলে ধরা হয়েছে। এতে একদিকে যেমন আবাসন সংকটের চিত্র আছে, অন্যদিকে আছে এক হারানো চিঠির মাধ্যমে অতীতের সাথে বর্তমানের সংযোগের গল্প।
This work captures the social instability following the Partition of Bengal and the melancholic memories of personal lives. It portrays the struggles of finding a home amidst a refugee crisis while also telling a story of reconnecting with the past through a long-lost letter.
যাঁরা আছেন
- কথক জমি ক্রেতা ও এক স্মৃতিবিহ্বল ব্যক্তি যিনি বহু বছর পর প্রথম স্ত্রীর চিঠি খুঁজে পান
- নিরুপমা কথকের পরলোকগতা স্ত্রী যাঁর লেখা একটি পুরনো চিঠি কয়েক দশক পর ফিরে আসে
- বিনোদ এক দরিদ্র কিশোর যে জ্বরে আক্রান্ত হয়েও তার আশ্রয়ে অবহেলার শিকার হয়
- পুরোহিত মশাই বিনোদের আশ্রয়দাতা এক দয়ালু ও নিরীহ বৃদ্ধ
প্রেক্ষাপট
১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গের উদ্বাস্তু সমস্যা এবং মধ্যবিত্তের জীবনসংগ্রামের প্রেক্ষাপটে এই কাহিনীগুলো রচিত। লেখক বিভূতিভূষণ এখানে ব্যক্তিগত স্মৃতির সাথে সমকালীন কঠিন বাস্তবতার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।