মেজদিদি (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১৯৬৩)
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় · ১৯৬৩
মেজদিদি (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১৯৬৩) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- মেজদিদি
- মেজদিদি
- এক
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
- সাত
- আট
- আঁধারে আলো
- আঁধারে আলো
- এক
- দুই
- তিন
- চার
- পাঁচ
- ছয়
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৫৯ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৬৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ৮০,৩৯৫ অক্ষর · ১৭টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৫৯
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
অনাথ বালক কেষ্ট তার বৈমাত্রেয় দিদি কাদম্বিনীর সংসারে এসে চরম অবহেলা ও অনাহারের শিকার হয়। কিন্তু তার মেজ-জা হেমাঙ্গিনী অকৃত্রিম স্নেহে তাকে আগলে রাখেন এবং পরিবারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেন।
An orphan named Keshto faces severe neglect and hunger when he seeks refuge in his half-sister Kadambini's household. However, his sister-in-law Hemangini protects him with selfless love and stands up against the family's cruel treatment.
যাঁরা আছেন
- কেষ্ট একজন অনাথ বালক যে আশ্রয়ের আশায় তার দিদির বাড়িতে এসে লাঞ্ছিত হয়।
- হেমাঙ্গিনী পরিবারের মেজবৌ যিনি কেষ্টর প্রতি মমত্ববোধ দেখান এবং তার অধিকারের জন্য লড়েন।
- কাদম্বিনী কেষ্টর বৈমাত্রেয় দিদি যার চরিত্রে চরম নিষ্ঠুরতা ও স্বার্থপরতা দেখা যায়।
- নবীন কাদম্বিনীর স্বামী যিনি কেষ্টর উপস্থিতিকে অনভিপ্রেত মনে করেন।
প্রেক্ষাপট
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বাংলার গ্রামীণ সমাজে অনাথ শিশুদের অসহায়ত্ব এবং সামাজিক অবিচারের চিত্র এই গল্পে প্রতিফলিত হয়েছে। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এখানে নারীর মমত্ববোধকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে তুলে ধরেছেন।