চিন্তাতরঙ্গিণী (হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় · ১৯৫৪
চিন্তাতরঙ্গিণী (হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়) — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৪
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১৯,৯৮২ অক্ষর · ১টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
উনিশ শতকের শিক্ষিত বাঙালি যুবসমাজের মানসিক অস্থিরতা এবং বিষণ্ণতার ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে এই কাব্যটি পাঠযোগ্য।
This is Hemchandra Bandyopadhyay's debut poetic work, depicting a young man's profound mental agony and his eventual descent toward suicide. The poem was born out of the poet's grief following the untimely death of his close friend, Srish Chandra Ghosh.
যাঁরা আছেন
- নরসখা মানসিক যন্ত্রণায় কাতর এক যুবক যে জীবনের ভার সইতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
- জগতারা নরসখার স্ত্রী, যে তার অসুস্থ স্বামীর সেবায় নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যায়।
- কমল নরসখার বন্ধু, যে তাকে সুপরামর্শ ও সান্ত্বনা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে চায়।
প্রেক্ষাপট
১৮৬১ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটি কবির বাল্যবন্ধু শ্রীশচন্দ্র ঘোষের আত্মহত্যার বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষাপটে লেখা। তৎকালীন ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণ প্রজন্মের লক্ষ্যহীনতা এবং মানসিক সংকটের চিত্র এখানে প্রতিফলিত হয়েছে।