চোরকাঁটা
চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় · ১৯৫৩
চোরকাঁটা — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১১
- ১২
- ১৩
- ১৪
- ১৬
- ১৭
- ১৮
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | ১ জানুয়ারি ২০৪৯ থেকে |
তথ্য
- লেখক
- চারুচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
- প্রথম প্রকাশ
- ১৯৫৩
- যুগ
- বিশ শতক
- দৈর্ঘ্য
- ১,৯৯,৩১৭ অক্ষর · ১৮টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
- যুক্তরাষ্ট্রে মুক্ত হবে
- ১ জানুয়ারি ২০৪৯
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
পশুপতি ও মমতার আশ্রয়ে থাকা প্রাক্তন চোর সাধু যখন নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করছে, তখন পশুপতি নিজেই এক অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। নিজের অপকর্ম ঢাকতে পশুপতি সাধুকে ফাঁসানোর চেষ্টা করলে তাদের সম্পর্কের এক জটিল মনস্তাত্ত্বিক লড়াই শুরু হয়।
Sadhu, a former thief trying to reform himself under the care of Pashupati and Mamata, faces a crisis when Pashupati commits a crime. The story explores a psychological struggle as Pashupati attempts to frame Sadhu to hide his own misdeeds.
যাঁরা আছেন
- সাধুচরণ এক প্রাক্তন চোর যে অতীতের গ্লানি ভুলে নতুন করে বাঁচার চেষ্টা করছে।
- পশুপতি মমতার স্বামী যে নিজের স্বার্থে সাধুচরণকে চুরির দায়ে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করে।
- মমতা পশুপতির দয়ালু স্ত্রী যে অপরাধীর প্রতি মানবিক সহানুভূতি পোষণ করে।
- মন্টু পশুপতি ও মমতার পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য যার সঙ্গে সাধুর গভীর সখ্য।
প্রেক্ষাপট
বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ১৯৫৩ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। তৎকালীন সমাজে অপরাধীদের সংশোধন এবং তাদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা এই রচনার পটভূমি তৈরি করেছে।