অন্নদামঙ্গল
ভারতচন্দ্র রায়
অন্নদামঙ্গল — যা জানা আছে
বইটির গঠন এখানে সম্পূর্ণ — কেবল পাঠ্য আপনার দেশে এখনও নয়।
এই বইয়ে যা আছে
- অন্নদার ভবানন্দ ভবনে যাত্রা
- অন্নপূর্ণাবন্দনা
- কন্দল ও শিবনিন্দা
- কৃষ্ণচন্দ্রের সভাবর্ণন
- কৈলাস বর্ণন
- কৌষিকীবন্দনা
- গণেশবন্দনা
- গীতারম্ভ
- গ্রন্থসূচনা
- দক্ষযজ্ঞ নাশ
- নারদের গান
- পীঠমালা
- প্রসূতিস্তবে দক্ষজীবন
- বিষ্ণুবন্দনা
- রতি বিলাপ
- রতির প্রতি দেববাণী
- লক্ষ্মীবন্দনা
- শিব বিবাহ যাত্রা
- শিব বিবাহের মন্ত্রণা
- শিব বিবাহের সম্বন্ধ
- শিবনিন্দায় সতীর দেহত্যাগ
- শিববন্দনা
- শিববিবাহ
- শিবের দক্ষালয় যাত্রা
- শিবের ধ্যানভঙ্গ ও কামভস্ম
- শিবের মোহন বেশ
- সতীর দক্ষালয়গমন
- সতীর দক্ষালয়ে গমনোদ্যোগ
- সরস্বতীবন্দনা
- সিদ্ধি ভক্ষণ
- সিদ্ধিঘোটন
- সূর্য্যবন্দনা
- হরগৌরী রূপ
- হরগৌরীকন্দল
- হরগৌরীর কথোপকথন
- হরগৌরীর বিবাদ সূচনা
কোথায় কবে পড়া যাবে
| বাংলাদেশ | এখনই পড়া যায় |
|---|---|
| ভারত | এখনই পড়া যায় |
| কানাডা | এখনই পড়া যায় |
| যুক্তরাষ্ট্র | তারিখ এখনও নির্ধারিত নয় |
তথ্য
- লেখক
- ভারতচন্দ্র রায়
- যুগ
- মধ্যযুগ
- দৈর্ঘ্য
- ৬০,৩৩৮ অক্ষর · ৩৬টি অংশ
- উৎস
- bn.wikisource
শঙ্খচিলে প্রতিটি রচনার স্বত্ব প্রতিটি দেশের জন্য আলাদাভাবে হিসাব করা হয়, তাই একই পাতা এক দেশে সম্পূর্ণ পাঠ দেখায় আর অন্য দেশে দেখায় না। এটি কোনো ত্রুটি নয় — নিয়মটি এখানে।
এই বই সম্পর্কে
দেবী অন্নপূর্ণার মহিমা এবং তাঁর মর্ত্যে আগমনের কাহিনী নিয়ে অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই কাব্যটি রচিত হয়। এতে ভবানন্দ মজুমদারের ওপর দেবীর আশীর্বাদ এবং শিব-পার্বতীর বিয়ের মতো বিভিন্ন পৌরাণিক ঘটনার বর্ণনা রয়েছে।
This 18th-century epic narrates the glory of Goddess Annapurna and her arrival in the mortal world. It covers the deity's blessings upon Bhavananda Majumdar and various mythological tales including the marriage of Shiva and Parvati.
যাঁরা আছেন
- অন্নপূর্ণা শিবের স্ত্রী ও দেবী দুর্গার এক রূপ যিনি অন্ন দান করেন।
- ঈশ্বরী পাটুনী একজন দরিদ্র মাঝি যিনি দেবীকে নদী পার করে বর লাভ করেছিলেন।
- শিব ত্যাগের দেবতা ও অন্নপূর্ণার স্বামী যার বিবাহ ও লীলা এখানে বর্ণিত হয়েছে।
- ভবানন্দ মজুমদার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পূর্বপুরুষ যার পরিবারে দেবী আশ্রয় নিয়েছিলেন।
- দক্ষ সতীর পিতা ও শিবের প্রতি বিদ্বেষী এক পৌরাণিক রাজা।
প্রেক্ষাপট
এটি ১৭৫২ সালে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নির্দেশে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচনা করেন। সেই সময় বাংলায় মারাঠা আক্রমণ এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের অস্থিরতা সত্ত্বেও নবদ্বীপকে কেন্দ্র করে সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটছিল।