সৎ মা

সৎ মা

 “তুমি কখনো মা হতে পারবে না!”- আমার সদ্য বিবাহিত স্বামীর মুখে এই আদেশবাক্য শুনে আমি খুব বেশি উদ্বেলিত হলাম না। আসলে আবেগ প্রকাশ করার ক্ষমতা গত কিছুদিন ধরেই আমার মধ্যে লোপ পেয়েছে। গত প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে মা যখন আমায় ডেকে মাটির দিকে তাকিয়ে আমার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ফয়সালা শুনাতে লাগলেন, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই আমি এক আবেগশূন্য মানুষ।

আমার বাবার অনেক বড় অসুখ, জুয়ায় হেরে মাথায় অনেক টাকার ঋণের বোঝা। সব সমস্যার সমাধান হলাম আমি।

আমি হীরা, ২১ বছর বয়সের তারুণ্যময় হীরকখন্ড- আমাকে বিয়ে করতে হবে একান্ন বছর বয়সের বিপত্মীক, দুই সন্তানের জনক আনহার সাহেবকে। বাবা যে চা-বাগানের সুপারভাইজারের কাজ করেন, উনি সেই বাগানের মালিক। এরকম আরো অনেক বাগান, কারখানা উনার অধীনে। উনার অধীনস্ত গোটা পৃথিবীই মনে হয়, না হলে উনি চাহিবা মাত্র আমার জুয়ারী, মদারু বাবা নিজের লিভার সিরোসিসের নিরাময় হিসাবে আমাকেই মনোনীত করে ফেলতেন না।

আনহার সাহেবের অনেক টাকা- সেখান থেকে একজন ঋণগ্রস্থ, অসুস্থ কর্মচারীকে কিছু টাকা স্বত্বত্যাগ করে দান করলে কী এমন ক্ষতি হয়ে যেত? কিন্তু টাকা তাদেরই হয়, যাদের অনেক বুদ্ধি থাকে। উনি বুদ্ধির জোরে এক ঢিলে দুই পাখি হাসিল করতে চাইলেন।

দান দুজনেরই হবে- একজনের অর্থদান, আরেকজনের কন্যাদান। কন্যা তো দানেরই জিনিস। দায়েরও। অস্বীকার করার উপায় নেই, আমার বাবা নিজ কন্যার দায়ে অনেক দিন ধরেই বিমর্ষ ছিলেন।

আমি যুবতী-কিন্তু সেই অর্থে সুন্দরী নই। ছোটবেলা দুষ্টামী করতে গিয়ে টিলার উপর থেকে পরে গিয়ে কপালের ডান পাশে কেটে গিয়েছিল। সেই কাটার দাগ এখনো দিবালোকে চন্দ্রের মত ম্লান জ্যোতি বিকিরণ করে। কপালের সেই কাটা দাগ তো ছুঁয়ে দেখা যায়, কিন্তু এছাড়াও সেখানে গরীব জুয়ারীর মেয়ে হিসাবে যে পোড়া দাগ চিরস্থায়ী আসন গেড়ে বসেছিল-তা ধরা না গেলেও সর্বদা অনুভব করা যেত।

আমি যে নিজেকে নিয়ে আকাশ-কুসুম কোন স্বপ্ন দেখে রেখেছিলাম-এমনও নয়। না হয় সদ্য ত্রিশে পা দেওয়া শীর্ণকায় কৃষ্ণবর্ণের একটা লোকের গলায়ই মালা পরাতাম, যে সারাদিন রিকশা বা সিএনজি স্কুটার চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে আমাদের বেড়ার ঘরে ফিরে হাঁক দিত-“কই গো বউ, ভাত দেও, বড় ক্ষিদে লেগেছে”। কখনো কাজ থেকে অবসর পেলে আমাকে হেড়ে গলায় আহ্লাদ করে বলত- “ চলো, আজ তোমাকে আমার রিকশায় চড়িয়ে কোথাও বেড়াতে যাই”।

আনহার সাহেবের এই প্রাচুর্য ভরা সংসারের লোভ তো আমি কখনো করিইনি। কিন্তু মা কাঁদো কাঁদো গলায় আমাকে বোঝালেন-“ সংসারে একটা পেতে গেলে আরেকটা ছাড়তে হয়রে মা। এখানে তোর বিয়ে হলে তোর বাবা বেঁচে যাবে, এর চেয়ে বড় কোন চাওয়া পাওয়া কি তোর থাকা উচিৎ?” আমি বাকহীন হয়ে মায়ের কথা খতিয়ে দেখলাম। মা’টা আমার সারাজীবনই কষ্ট করলো। অভাবের ঘরদোর, আমাদের ভাই-বোনের মুখে সব সময় খাওয়া তুলে দিতে পারে না, বাবা মদ খেয়ে এসে প্রায় প্রতি রাতেই মাকে অকথ্য ভাষায় গালি দেয় আর মারে।

অবশ্য চা-বাগানের বাসিন্দাদের জন্য এসব নৈমিত্তিক ঘটনা। তারপরেও ভেবে দেখলাম- শিক্ষিত, বিত্তশালী একজনের গৃহকোণে হয়ত আমাকে এসব কদর্যতার মাঝ দিয়ে যেতে হবে না। না হয়, লোকটা আমার চেয়ে ঢের বড়, তাতে কী? তার মনটাও নিশ্চয়ই বড়। না হলে নিজের জাত-পাতের কোন মেয়েকে বিয়ে না করে আমার কথা কেন ভাববেন?

এ প্রশ্নের উত্তর অবশ্যি বিয়ের রাতেই পেয়ে গেলাম। উনি উনার প্রথম স্ত্রী নিতুকে পাগলের মত ভালোবাসতেন। এখনো বাসেন। নীতুর জায়গায় আর কেউ কোনদিনই আসতে পারবে না। আমি এসেছি শুধু উনার বাচ্চাদের দেখাশোনা করার জন্য। আর হয়ত আনহার সাহেবেরও ব্যক্তিগত চাহিদা পূরণ করতে হতে পারে। ভালোবাসা মনে থাকে, শরীরে নয়। তাই আমাকে ব্যবহার করলে নীতুর প্রতি উনার ভালোবাসায় কোন কমতি পরবেনা।

তবে ঐ পর্যন্তই,আমি কখনো উনার ঔরস ধারন করতে পারবো না। শুরুতেই সব কিছু নিষ্পত্তি হয়ে গেলে পরে আর ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ থাকবে না। আমি অবনত মস্তকে উনার সব কথা শুনে গেলাম।

পরদিন আরো নতুন ফরমান জারি হলো। আমার স্বামীর নয় বছর বয়সী মেয়েকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে গেলে সে ঝটকা মেরে দূরে সরে গেল- “ তুমি আমার ন্যানি। সেরকমই থাকো। আমার মা হওয়ার চেষ্টা করো না”। তারানার কথা শুনে তাওসিফের কাছে যাওয়ারও আর সাহস পেলাম না। শুধু রান্নাঘরে গিয়ে দুজনের জন্য নাস্তা বানিয়ে আনলাম।

বিশাল বড় বাড়িতে অনেক চাকরবাকর। মেয়ে কাজের লোকই আছে তিন জন। বৌহীন পুরুষ এভাবে কাজের মেয়েদের সংসারে রাখলে লোকে নাকি মন্দ বলে- তাই দৃশ্যপটে আমাকে আসতে হলো। যাক, এখানে ভাত কাপড়ের অভাব নেই। অভাব শুধু আমার সাথে হাসিমুখে দুটো কথা বলার একজন মানুষের। বাচ্চা দুটো আমাকে একটুও পছন্দ করে না। করবেই বা কেন? আমি যে সৎ মা। যুগে যুগে সৎ মায়েরা তো নির্দয়, পিশাচীনিই হয়। তবু ওদের সৎ মা হয়ে থাকতে পারলেও মনে হত- না, আমাকে ঘৃণা করার যুক্তি সঙ্গত কারণ আছে। কিন্তু ওরা তো আমাকে ভালো মা, সৎ মা- কোন রকমের মা হিসেবেই গুণায় ধরে না। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়া দুটো বাচ্চাই ভীষণ স্পষ্টবাদী। বাঙালি সেন্টিমেন্ট, লোকদেখানো ভদ্রতা-কিছুরই ধার ধরার মধ্যে নেই।

আমাকে দুজনেই ন্যানি বলে ডাকে। বাচ্চা দেখাশোনা যারা করে, তাদের বুঝি ন্যানি বলে। অন্তত যদি হীরা খালা বলেও ডাকত! কিন্তু খালা মানে তো মায়ের বোন। নিজের মায়ের সাথে কোন অবস্থাতেই আমার সম্পৃক্ততা তারা বরদাস্ত করতে পারবেনা।

আনহার সাহেব উনার প্রয়োজন মিটে গেলেই আমার দিকে পিঠ ফিরিয়ে ঘুমিয়ে পরেন। উনার সাথে দরকার ছাড়া কোন কথা বলা নিষেধ। আমি উনাকে দরকারী কিছু বলব- সেই কপালও আমার নেই। ঘরের, বাইরের সব দরকারী কথা বলার জন্য উনার অ্যাসিস্টেন্টরা আছে। এক রাতে আমার খুব জ্বর এসেছিল। মায়ের কোলের মাথা রেখে শুয়ে থাকার জন্য প্রাণটা আঁইটাই করছিল।

মাকে পাবো কোথায়? তাকে রেখে এসেছি সেই মফস্বলের নিভৃত চা-বাগানে। একটুখানি মানব-স্পর্শের আশায় আমার স্বামীর হাতটা ধরেছিলাম। প্রচন্ড বিরক্তিতে উনি মুখ কুঁচকে বলেছিলেন- গরমের মধ্যে জাবরা-জাবরি করোনা। অথচ আমার হাতটাই যে আগুন গরম হয়ে আছে, সেটা টের পেয়েও উনার কোন ভাবান্তর হলোনা। সেই রাতে মনে হয়েছিল-বিষ খেয়ে মরে যাই। কেন যেন পারিনি।

জনতার মাঝেও এত নির্জনতা সইতে পারছিলাম না। একদিন সমস্ত প্রতিজ্ঞা, লাজ-লজ্জা ভুলে আনহার সাহেবকে মিনতি করে বসলাম- আমাকে একটা সন্তান উপহার দিন। আমার যে ছোট একটা বাচ্চাকে বুকে জড়িয়ে ধরতে প্রাণটা খাঁ খাঁ করে। উনি কোন কথা না বলে গম্ভীর হয়ে গেলেন। তার পরের দিন হুট করে দুপুর বেলা আমাকে বললেন-“রেডি হয়ে নাও, হাসপাতালে যাবো। বাচ্চার ব্যাপারে ডাক্তারের সাথে আলাপ আছে”।

আমি নিজের ভাগ্যকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এই প্রথম আমার স্বামীর সাথে আমি বাইরে কোথাও যাবো। তার উপর উনি বিনা বাক্য ব্যায়ে আমার অনুরোধ মেনে নিয়েছেন! আমি মা হবো। চোখের পানি আটকাতে আটকাতে কোনমতে শাড়ি পালটে নিলাম। উনি আমাকে শহরের বাইরের দিকে একদম নিরিবিলি একটা এলাকায় একটা প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে এলেন। ডাক্তারের সাথে উনার কী যেন চোখাচোখি হল। ডাক্তার আমাকে বেডে শুয়ে পরতে বললেন।

উনার হাতে ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ দেখে আমি শুধু জিজ্ঞেশ করেছিলাম- “ এটা কিসের ইঞ্জেকশন?” উনি মিষ্টি হেসে আমাকে অভয় দিলেন- দীর্ঘদিন জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি নেওয়ার জন্য হুট করে বাচ্চা নিতে আমার অসুবিধা হতে পারে। তাই একটা হরমোনের ইঞ্জেকশন দিবেন, যাতে আমি তাড়াতাড়ি গর্ভধারন করতে পারি। আমি নিশ্চিন্ত মনে হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।

এরপর কী কী হয়েছে আমি জানিনা। চোখ মেলে টের পেলাম আমার শরীরের নিচের দিকে অসহ্য ব্যাথা। নার্স আমার ঔষধ গুছিয়ে রাখছিল। ওকে জিজ্ঞেস করলাম-আমার কী হয়েছে। ও বললো-কথা না বলে রেস্ট নিতে। লাইগেশন এর পর পুরোপুরি সুস্থ হতে নাকি মাসখানেক লাগে। এ সময় আমি যেন বেশী নড়াচড়া না করি। নার্সের কথা আমার কান দিয়ে ঢুকছিল না।

আমি আমার পেটের কাটা অংশে হাত বুলিয়ে যেন নিশ্চিত হয়ে নিচ্ছিলাম- আমাকে কি আসলেই অকেজো করে দিয়েছে আমার স্বামী! মানুষের নিদারুণ নির্মমতা দেখলে নাকি আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠে। সেদিন আল্লাহ আমার কান্না শুনেছিলেন কি না, জানিনা, তবে পুরো ক্লিনিক কেঁপে কেঁপে উঠেছিল আমার চিৎকারে।

ডাক্তাররা ফোন দিয়ে আনহার সাহেবকে আনালো। উনি আমার কেবিনে ঢুকে চরম নির্বিকারভাবে বলেছিলেন- আমি যেন শান্ত হয়ে যাই, আর এ ঘটনা যেন কাউকে না বলি। না হলে চা-বাগানে কোন এক দূর্ঘটনা ঘটিয়ে আমাকে এতিম করে দিতেও উনার পাঁচ মিনিটের বেশি লাগবে না। আমি খাঁচায় আটকে পরা অসহায় চারপেয়ের মত ফোঁস-ফোঁস করতে করতে আবারও নিজের নিয়তিকে মেনে নিয়েছিলাম।

মেঘে মেঘে অনেক বেলা গড়িয়ে গেছে। তারানা এবছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। ওর অনেক বন্ধুবান্ধব। প্রায়ই বাসায় ছেলে বন্ধুরা এসে গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা দিয়ে যায়। আমার এসব একদম ভালো লাগেনা। দিনকাল ভালো না। কিন্তু কোন অধিকারে ওকে শাষন করব? আনহার সাহেবকে একবার বলতে গিয়ে জোর ধমক খেয়েছি।

এক রাতে পানি খাওয়ার জন্য উঠেছি-মনে হলো খুব ক্ষীণ স্বরে কেউ বিলাপ করছে। প্রথমে সারা শরীর দিয়ে ভয়ের একটা স্রোত বেয়ে গেল। এত রাতে এমন আহাজারী কে করবে? তবু আস্তে আস্তে সাহস করে এগোলাম। তারানার রুম থেকে আওয়াজ আসছে। ওর দরজা পুরোপুরি বন্ধ না। একটু খানি ফাঁকা হয়ে আছে, তা দিয়ে দেখতে পেলাম রুমে ডিমলাইট জ্বলছে। তারানা মাটিতে উবু হয়ে বসে ফোঁপাচ্ছে। নিজেকে ওদের মা ভাবতে ভালো লাগে, তাই মায়ের মন কেমন করে উঠল। ওর রুমে ঢুকে পরলাম সাহস করে।

নিচু হয়ে বসে মেয়েটার পিঠে হাত রাখতেই ও সোজা হয়ে বসল। এই প্রথম যেন আমার উপস্থিতিতে ওর ঘৃণার উদ্রেক হলো না। বরং মনে হল-অকূল পাথারে কোন ঠাঁই খুঁজে পেয়েছে। আমার দিকে তাকিয়ে কাঁপা গলায় বলল-ন্যানি, আমাকে বাঁচাও। পাপাকে কিছু বলো না। আমি প্র্যাগনেন্ট হয়ে গেছি!

আমি দিবালোকের মত স্পষ্ট সব দেখতে পেলাম- তারানাকে ওর পাপা সেই শহরের বাইরে নিরিবিলি ক্লিনিকে নিয়ে যাচ্ছে। গর্ভপাতের অসহ্য যন্ত্রণা আর অদেখা সন্তানকে হারানোর শোকে তারানা আকাশ-পাতাল কাঁপিয়ে কাঁদছে। নিজের রুমে ফিরে এসে আমি ভাবতে লাগলাম।

****

আনহার সাহেব অবাক হয়ে নিজের মেয়ের দিকে তাকিয়ে আছেন। এ কোন মেয়ে উনার? উনি তো একে চিনেন না। যে মহিলাকে দেখলে মেয়েটা প্রকাশ্যে নাক সিঁটকায়, তাকে সাথে করে নিয়ে যেতে চাইছে দার্জিলিং?

“পাপা, সিনেমাটোগ্রাফির এই কোর্সটা আমার করাই লাগবে। তুমি তো নিশ্চয়ই আমাকে একা দার্জিলিং যেতে দিবেনা। তাই ন্যানিকে আমার সাথে দাও। প্লিয পাপা, না করোনা”।

কিছুক্ষণ ভেবে আমার স্বামী রাজি হয়ে গেলেন, কোন কিছু সন্দেহ না করেই। আমি আর তারানা দার্জিলিং চলে এলাম। আমার আর ওর মাঝে যে চুক্তি হয়েছে, তা বাস্তবায়ন হতে এক বছর লাগবে। এক বছর পরে আনহার সাহেব নিজে দার্জিলিং এলেন আমাদের ফিরিয়ে নিতে। আমরা চারজন ফিরে এলাম।

বাংলাদেশে পৌঁছেই  সবার সামনে আমার স্বামী আমার গালে সজোরে চড় বসিয়ে দিলেন। বললেন-এক বস্ত্রে যেন বেরিয়ে যাই। সাথে করে নিয়ে যাই আমার পাপের ফসলকে। আমি সবার ঘৃণিত দৃষ্টির সামনে স্মিত হেসে ছোট্ট বাবুটাকে বুকের সাথে চেপে ধরে পথে বেরিয়ে এলাম।

শেষ একবার মুখ ফিরিয়ে সবাইকে দেখার জন্য ঘুরতেই দেখলাম তারানা নিজের বুকে হাত দিয়ে ঠোঁট চেপে চোখের পানি আটকাচ্ছে। ওর চোখে আমার জন্য আর বিদ্বেষ নেই। কেন থাকবে? সৎ হই আর যা-ই হই, আমি যে ওর মা!

লেখকঃ মেহজেবীন আক্তার, পিএইচডি গবেষক,শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।

এখানে মন্তব্য করুন :