পারভীন ববি: স্কিজোফ্রেনিক এক বলিউড স্টার

পারভীন ববি: স্কিজোফ্রেনিক এক বলিউড স্টার

সত্তরের দশকে স্বতন্ত্র স্টাইল দাড়া করিয়েছিলেন পারভীন ববি। ছবি: ইন্ডিয়া টুডে

পেশাদার অভিনেত্রী থেকেও গ্ল্যামারাস নায়িকা ও ফ্যাশন আইকন হিসেবে ছিলেন পরিচিত। চিন্তা-ভাবনা, মানসিকতা, চাল-চলনে ছিলেন সমকালীন চিত্রনায়িকাদের চেয়ে ভিন্ন।

বলিউড তখনও নায়িকাদের ‘ভারতীয় নারী’ চিত্রনের বৃত্তে বন্দি। পুরো ইন্ড্রাস্টির মনোজগত পুরুষদের তৈরি। পর্দার নায়িকাদের দেখতে চায় তাদের মতো করে, আটপৌরে নারী কিংবা গ্রামের সাদামাটা মেয়ে হিসেবে।

মগজে গেঁথে বসা এই গৎবাঁধা নায়িকা ইমেজ সজোরে ভাঙতে শুরু করেন পান ববি। পুরো সত্তর ও আশির দশক ধারালো কাটকাট চেহারা, প্রতিমার মতো নিখুঁত দেহ সৌষ্ঠব ও অভিনয় দক্ষতা দিয়ে যিনি মাতিয়ে রাখেন দর্শকদের।

তার পোশাকপরিচ্ছদে নতুনত্ব, হালের পশ্চিমা ফ্যাশন, বিশুদ্ধ ইংরেজি বাচনরীতি, জীবনাচার, ধর্মের ব্যাপারে নিজস্ব ব্যাখ্যা- এসব কিছু পারভীন ববিকে করে তোলে স্বতন্ত্র ও সবার চেয়ে আলাদা। নিজের প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে অকপটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতেন, লুকোচুরির ধার ধারতেন না।

মদপান করা কিংবা প্রকাশ্যে একটার পর একটা সিগারেট ধরানোকেও দোষের কিছু মনে করতেন না। বলতেন, মানুষ পান-জর্দা খায় না? আমিও তেমনি সিগারেট পান করি-এতে সমস্যার কিছু তো দেখছি না। চরিত্রের প্রয়োজনে ছোটখাটো পোশাক পড়তেও আপত্তি ছিল না ববির। পারভীন ববি হয়ে উঠেন ভারতীয় ট্যাবু ভাঙার প্রতীক।


ব্যক্তি জীবনে পশ্চিমা ব্যক্তিত্ব ধারণ করেছিলেন। তাই খুব সহজেই পশ্চিমা ধাঁচের ও গ্ল্যামারাস চরিত্রের মাঝে ডুবে যেতে পারতেন। একটা ছকের মধ্যে থেকেও অনেকগুলো বাণিজ্যিক ছবি উপহার দেন। পারভীন ববির ইমেজ ভেঙ্গে নতুন চিত্রনাট্য বানাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হতো প্রযোজকদের।

সেসময়কার অভিনেত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক ছিল তার। সত্তর আর আশির দশকের সুপারহিট অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন, শশী কাপুর, ফিরোজ খান্না, ধর্মেন্দ ও বিনোদ খান্না সবার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন।

অর্ধশতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে দশটি ছিল ব্লকবাস্টার। প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্রতারকা যাকে নিয়ে টাইম ম্যগাজিন প্রচ্ছদ ছাপিয়েছে। এমন কোনো ভারতীয় সিনে ম্যগাজিন নেই, যেখানে তাকে নিয়ে প্রচ্ছদ হয়নি।

বিগ বি’র পাশে একমাত্র পারভীন ববি ছিলেন উজ্জ্বল। ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

অমিতাভ বচ্চন-বিগ বি তখন সুপার ডুপাার হিট তারকা। পর্দায় তার উপস্থিতি অন্য সব কিছুকে ম্লান করে দেয়। নায়িকারা বিগ-বি’র বিশালত্বের পাশে শূন্যতা ঘোচাতে পারতেন না। মনে করা হতো পারভীন ববি’র উজ্জ্বল ইমেজই শুধুই পারত বিগ বি’কে ছুঁতে। এই জুটি আটটির মতো সিনেমায় একত্রে অভিনয় করেন। আলোড়ন তুলেন দর্শকদের মাঝে।

সিনেমায় যাদের দেখার জন্য দর্শকরা হুমড়ি খেয়ে পড়েন, বাস্তব জীবনে দেখা যাবে সেই অমিতাভ বচ্চনকে সহ্যই করতে পারছেন ন পারভীন ববি। ততো দিনে পরিচালক ও প্রযোজকরা বুঝে গেছেন-পর্দায় ববির আগমণ মানে ছবি হিট। তাই বিভিন্ন সিনেমায় হালে আইটেম সং হিসেবে পরিচিত গানের সঙ্গে নাচিয়ে নিতেন তাকে। এতে সিনেমাও হিট তরুণ দর্শকরাও খুশি।

ক্যারিয়ার যার এমন উজ্জ্বল সোনার হরফে লেখা, যার জন্য পাগল দর্শক, যিনি থাকলে সিনেমা ভালো চলবে- সেই সুপার স্টার পারভীন ববি কিনা একদিন কাউকে কিছু না বলে গোপনে দেশ ছাড়েন।

বলিউডপাড়ায় কানাঘুষো শুরু হয়, মাফিয়াদের ভয়ে তিনি নাকি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। আর ববি বলছেন, আত্মিক প্রশান্তির খোঁজে তিনি আমেরিকার বিভিন্ন শহরে শহরে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন?
কী এমন হলো যাতে তিনি শান্তি পাচ্ছিলেন না? জীবনের আলো ঝলমল অধ্যায়ের অপর পৃষ্ঠায় পাওয়া যাবে টালমাটাল, দিক হারানো কিংকর্তব্যবিমূঢ় আরেক ববিকে। যিনি মানসিকভাবে বির্পযস্ত ও অসুস্থ, চিকিৎসকরা যে রোগের নাম দিয়েছেন প্যারানয়েড স্কিজোফ্রেনিয়া।

ববি তখন প্রায়ই বলতেন, কে যেন তাকে হত্যা করতে আসছে। ফিল্ম ইন্ড্রাস্টির সবাই তার পেছনে ষড়যন্ত্র করছে। কেউ কেউ বলেন, তার ব্যক্তিগত জীবনে নিরাপত্তাহীনতা অনুভব, একে একে জীবন থেকে প্রেমিকদের হারিয়ে যাওয়া, তীব্র অবসাদ, খ্যাতি-যশ হারনোর ক্রমাগত ভয়ের কারণে তার এমন মানসিক অবস্থা দাড়িয়েছিল।

অবস্থা এমন পর্যায়ে গিয়েছিল যে তিনি তার ঘণিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন কাউকে বিশ্বাস করতে পারতেন না। একে একে সবার থেকে নিজেক পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে ফেললেন। একা একা থাকতেন জুহু বিচের বাসায়।

অসুখের মাত্রাটা দেখা যাক। জয়া ভাদুরীর সঙ্গে সবেমাত্র বিয়ে হয়েছে অমিতাভ বচ্চনের। ববি দাবি করলো অমিতাভ এক বিরাট গ্যাংস্টার। সে তাকে অপহরণ ও হত্যার চেষ্টা করেছিল।

প্রথম ভারতীয় চলচ্চিত্রতারকা যাকে নিয়ে টাইম ম্যগাজিন প্রচ্ছদ
ছাপিয়েছে । ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, ‘ওর গুন্ডারা একটি দ্বীপে আমাকে আটকে রেখেছিল। তারপর অপারেশন করে আমার কানের নিচে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ভরে দিয়েছে।’

এ অভিযোগ নিয়ে পুলিশের কাছে গিয়েছিলেন ববি। বিষয়টি আদালতেও গড়ায়। আদালত অমিতাভ বচ্চনকে নির্দোষ রায় দেয়। বলে ববি স্কিজোফ্রেনিয়ার রোগী। ববির মৃত্যুর পর অমিতাভ ববির প্রশংসা করতে কার্পণ্য করেননি।

সত্তরের দশকের শেষে অভিনেতা ড্যানি ডেনজোংপার সাথে প্রেম ছিল ববির। ববির স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, হঠাৎ সে আমাদের সম্পর্কটা ভেঙে ফেলে। অবশ্য তারপরেও আমরা বন্ধুর মতোই ছিলাম। আমার সঙ্গে কিমের সম্পর্ক চলছিল। হঠাৎ একেক দিন দেখা যেত ববি আমার ফ্ল্যাটে এসে হাজির। কিম এটা মানতে পারত না। আমিও ববিকে বারণ করতাম, যেন আমার এখানে না আসে। কিন্তু কে শোনে কার কথা। সে বলত, ড্যান, আমরা বন্ধু না!

নির্মাতারা জানতেন সিনেমায় ববি থাকার অর্থই হলো সিনেমা হিট : ছবি : ফিল্ম ফেয়ার।

ববির প্রথম অস্বাভাবিক আচরণের উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, একদিন ওর ওখানে রাতের খাবার খাওয়ার কথা ছিল। গেলাম ওর ওখানে। টেবিলে রুপার তৈরি কয়েকটি শঙ্খ ছিল। আমি এমনিতেই একটি তুলে বাজাতে যাই, যেই না শব্দ হলো,ও এত ভয় পেয়েছিল না, বলার মতো না।
সর্ম্পক ভাঙার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার মনে হয় ও একটা সাক্ষাৎকার পড়েছিল, যেখানে অমিতাভ বচ্চন উল্লেখ করেন, আমি ওর ভালো বন্ধু। ব্যস, হয়ে গেল। পরদিন আমি ববির সঙ্গে দেখা করতে ওর বাসায় যাই। দরজার কি হোল দিয়ে আমাকে দেখামাত্র বলে দিল আমাকে ঘরে ডুকতে দিবে না। আমি নাকি অমিতাভ বচ্চনের চর।

ববির সাথে প্রেম ভেঙে গেলে অভিনেতা কবির বেদি সঙ্গে তার সম্পর্ক হয়। কবির বেদি তখন চলচ্চিত্র নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত। হলিউডে তখন তার অনেক নাম-ডাক। এই দীর্ঘ-দূরত্বেও প্রেমটিও টেকেনি।

১৯৭৭ সালের দিকে ক্যারিয়ারের তুঙ্গে ববি। তখনই চলচ্চিত্র নির্মাতা মহেশ ভাটের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন পারভিন। ফিল্মফেয়ার ম্যাগজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পারভিন ববির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন তিনি।

অভিনেতা ড্যানি ডেনজোংপার সাথে প্রেম ছিল ববির। ছবি : ইন্ডিয়া টুডে

বলেন, কবীর বেদীর সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর পারভিনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক হয়। ‘সেসসময় পারভিন ‘ওমর আকবর অ্যান্থনি ও কালা পাহাড়-এর মতো ছবির টপ তারকা, আর আমি অসফল পরিচালক। স্ত্রী লরেন ব্রাইট ও মেয়ে পূজাকে ছেড়ে ববির সঙ্গে থাকা শুরু করি। ’


১৯৭৯ সালের এক বিকালে মহেশ জীবনের সবচেয়ে বড় সত্যের মুখোমুখি হলেন। দেখেন, পারভিন ববি সিনেমার মতো পোশাক পরে একটি ধারালো ছোরা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। মহেশকে দেখেই তিনি ফিসফিস করে বললেন, চুপ। কথা বলো না! এখানে অনেক শত্রু আছে। এরা সবাই আমাকে হত্যার চেষ্টা করছে। এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটতে লাগল।

চিকিৎসকদেও কাছে নেওয়া হলো তাকে। বলা হলো তিনি প্যারানয়েড স্কিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। চিকিৎসক ও মহেশের বন্ধুরা পরামর্শ দিলেন যে, ববিকে সুস্থ করতে হলে ইলেকট্রিক শক দিতে হবে।

কিন্তু এই চিকিৎসায় রাজি ছিলেন না মহেশ ভাট। পারভীন ববির এমন অবস্থায় তার সাবেক দুই প্রেমিক ও মহেশ ভাট একত্রে মিলে চেষ্টা করেছিলেন ববিকে সুস্থ করতে।
কিন্তু মানসিকভাবে পুরোই অসুস্থ হয়ে পড়লেন ববি। তার শুধু মনে হতো, কারা যেন তাকে খুন করতে চায়। যে কোনো কিছু খাবার আগে মহেশকে খেয়ে দেখতে হতো সেই খাবারে বিষ মেশানো আছে কি না।

এক সময় কবির বেদীর সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যায় ববির। ছবি : ইন্ডিয়াডটকম

মহেশ জানান, একদিন মাঝরাতে দুইজন খুবই অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাচ্ছিলেন, হঠাৎ শর্ত জুড়ে দিলেন, হয় তাকে নইলে তার চিকিৎসককে বেছে নিতে হবে । সেই মহেশ মাঝরাতে বাঙলো থেকে দৌড়ে বেরিয়ে পড়েন। পিছু নেন নগ্ন ববি। জীবনের দৌড়ে আর কখনো ববি মহেশকে ধরতে পারলেন না। ববির জীবন থেকে পুরোপুরি হারিয়ে গেলেন মহেশ।


১৯৮৩ সালের একদিন কাউকে কিছু না বলে ববি দেশ ছাড়েন। তার তাত্ত্বিক গুরু ইইজি কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গে বিভিন্ন দেশ ঘুরে বেড়ান ।
১৯৮৯ সালে স্থায়ীভাবে দেশে ফিরে আসেন। ততদিনে তিনি মুটিয়ে গেছেন। চেহারায় আগের জৌলুস নেই। ১৯৯১ সালে সর্বশেষ তাকে শত্রুঘ সিনহার সাথে ইরাদা সিনেমায় দেখা যায়।
৯০ দশকেও তিনি আলোচনা-সমালোচনায় ছিলেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার আগে অর্ডিও রেকর্ডার অন করে নিতেন। দিন, তারিখ, সাংবাদিকের নাম, তিনি যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন সব রকর্ড করে নিতেন। তারপর বসতেন সাক্ষাৎকার দিতে।

পরদিন সাক্ষাৎকার ছাপা হলে কোনো সাংবাদিক যদি তার অসুস্থতার কথা লিখত, সঙ্গে সঙ্গে বলতো তারা অমিতাভ বচ্চনে চর। এছাড়া সাংবাাদিকরা সাক্ষাৎকার নিতে আসলে বলতেন, তার খাবার ও পানি খেয়ে দেখতে, এসবে বিষ মেশানো আছে কিনা দেখতে। ববির সন্দেহ ছিল খাবারে বিষ মিশিয়ে দিয়ে তার চামড়া নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।


২০০৫ সালের ২২ জানুয়ারি জুহু বিচের বাসয় নি:সঙ্গ অবস্থায় মারা যান ববি। মৃতদেন পড়ে ছিল মেঝেতে। পাাশেই পড়েছিল হুইলচেয়ার । শেষদিকে তার বাম পায়ে ঘা দেখা দিয়েছিল। অত্যধিক ডায়াবেটিসের কারণে পায়ে পচন ধরে। পা ছিল ব্যান্ডেজে মোড়া। মৃত্যুর সময় বিছানায় পড়ে ছিল এলোমেলা কাপড়চোপড়, ওষুধ, পুরানো পত্রিকা আর পেইন্টিং।
পোস্ট মর্টেমে জানা যায়, মৃতদেহ পাওয়ারও তিন দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। তার পাকস্থলিতে কোনো খাদ্য পাওয়া যায়নি

পারভীন ববির মৃত্যুর সময় দেশে ছিলেন না মহেশ ভাট। ফিরলেন একদিন পর। হাসপাতালে পড়ে ছিল পারভীনের মৃতদেহ। সৎকারে কেউ এগিয়ে আসেননি। তখন মহেশ ভাটই যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন।

পারভীন ববির মৃত্যুর পর মরদেহ সৎকারে প্রেমিক মহেশ ভাটই সমস্ত দায়িত্ব পালন করেন।
ছবি : উইকিপিডিয়া


এসময় তিনি বলেন, আমার জীবনে ওর দুইবার মৃত্যু হলো। একবার ওর যখন মানসিক অসুস্থতা দেখা দিল তখন, আর দ্বিতীয়বার এখন।
১৯৫৪ সালে গুজরাটের এক মুসলিম পরিবারের জন্ম হয়েছিল পারভীন ববির। কিন্তু ৯০ দশকের শেষ দিকে তিনি খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেন। তার ইচ্ছা ছিল খ্রিস্টান রীতিতে যেন তাকে সমাহিত করা হয়। কিন্তু আতœীয়স্বজনরা তাকে মুসলিম রীতিতে দাফন করে।

মহেশ ভাট তার প্রেমিকার জীবনী নিয়ে ১৯৮২ সালে আর্থ নামে একটি সিনেমা বানান। প্রেমে সফল না হলে কী হবে, মহেশ ভাটের ক্যারিয়ারে সফলতার জোয়ার বইতে থাকে এ সিনেমার পর।


তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, ফিল্মফেয়ার, ও টাইমস অব ইন্ডিয়া ।

লেখক : পলাশ সরকার

এখানে মন্তব্য করুন :