বিশ্বাসঘাতক ব্রিটিশ ডাবল এজেন্ট জর্জ ব্লেইক

বিশ্বাসঘাতক ব্রিটিশ ডাবল এজেন্ট জর্জ ব্লেইক

রাশিয়ার গণমাধ্যম তার মৃতু‌্যর খবর ফলাও করে প্রকাশ করে। ছবি : স্কাই নিউজ

গত ২৬ ডিসেম্বর ৯২ বছর বয়সে মারা যান সাবেক ব্রিটিশ গোয়েন্দা জর্জ ব্লেইক। যুক্তরাজ্য ও মার্কিন গণমাধ্যম সংবাদটি গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে। তবে দুএকটি সংবাদপত্র ব্লেইকের প্রতি বিদ্বেষ লুকাতে পারেনি। কুখ্যাত শব্দটি জুড়ে দেয় শিরোনামে।

রাশিয়ার গণমাধ্যমও এই খবর ফলাও করে প্রকাশ করে। তবে সেই সংবাদে বিরাগ ছিল না, ছিল বীর হিসেবে প্রশংসার স্তুতি।

প্রশ্ন আসতে পারে, একই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর কেন গণমাধ্যমে দুরকমভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে? তাহলে পেছন ফিরে  দেখতে হবে জর্জ ব্লেইকের বৈচিত্র্যময় গোয়েন্দা জীবন। চোখ রাখতে হবে গত শতকের পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে স্নায়ুযুদ্ধের দিনগুলোতে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্লেইক ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই সিক্সে যোগ দেন। বামপন্থি সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব হ্রাস ও পুঁজিবাদী পশ্চিমা দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় আমেরিকার পাশে নিবিড়ভাবে সচেষ্ট তখন যুক্তরাজ্য। অথচ চিন্তা-চেতনায় ও আদর্শের দিক দিয়ে মার্ক্স-লেনিনবাদের ঘোরতর সমর্থক জর্জ ব্লেইক।

জীবনের দুই বেলায় জর্জ ব্লেইক । ছবি : মট্রোডটইউকে

সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতি দুর্বলতা ছিল ব্লেইকের। তাই গোপনে কয়েকশত পশ্চিমা স্পাইয়ের পরিচয় ফাঁস করে দেন।  এসব তথ্যে পূর্ব ইউরোপে কাজ করা স্পাইদের খুঁজে বের করতে সময় লাগেনি সোভিয়েত গোয়েন্দাদের।

জর্জ ব্লেইকের বিশ্বাসঘাতকতায় জীবন যায় ৪০ ব্রিটিশ স্পাইয়ের। আর বাকিরা গ্রেফতার হয়ে দিন কাটাতে থাকেন কারাগারের অন্ধকারের কুঠুরিতে ।

রাষ্ট্রদ্রোহী এমন কাজের জন্য জর্জ ব্লেইক তৎকালীন সময়ে সবচেয়ে কুখ্যাত ডাবল এজেন্টদের একজন হিসেবে পরিচিতি পান। ব্লেইকের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে অবসান ঘটল স্নায়ুযুদ্ধকালীন দ্বিমেরু রাজনীতি ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়ের।

ব্লেইক যে ডাবল এজেন্ট সেটা জানাজানি  ১৯৬১ সালে। ক্যামেরা ট্রায়ালে তার ৪২ বছর সাজা হয়। কিন্তু তিনি সাজা খাটেন মাত্র ৫ বছর। যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দা ইতিহাসে অন্যতম ক্ষতিকারী লোকটি সাজা না ভোগ কওে পালিয়ে যায় কারাগার থেকে।  

 কে এই জর্জ ব্লেইক

১৯২২ সালের ১১ নভেম্বর নেদারল্যান্ডসের রটারডামে জন্ম বেহারের। বাবা ছিলেন মিশরীয় ইহুদি, মা ডাচ। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের হয়ে লড়েন জর্জের বাবা। পেয়ে যান ব্রিটেনের নাগরিকত্ব। ছেলে বেহারের নাম রাখেন ইংল্যান্ডের রাজা পঞ্চম জর্জের প্রতি সম্মান জানিয়ে  জর্জ  ব্লেইক।

জর্জের বাবার শ্রমিকদের জন্য গ্লাভস বানানোর একটি কারখানা ছিল। কিন্তু তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারটি পানিতে পড়ে। আর্থিক অনটনে ১৩ বছর বয়সী জর্জকে পাঠানো হয় মিশরে, তার ফুপুর কাছে। জাফিরা ফুপুর বিয়ে হয় মিশরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে। তার স্বামী নামী ব্যাংকার।

জর্জ ব্লেইকের প্রথম স্ত্রী তাকে তালাক দেন। ছবি: স্কাই নিউজ

এই সময়টাতে ব্লেইক তারচেয়ে বয়সে বড় কাজিন অরি কুরিয়ালের সান্নিধ্য লাভ করেন। তিনি তখন মিশরে কমিউনিস্ট আন্দোলনের নেতা। ছোট্ট ব্লেইকের মগজে তিনি যতেœর সাথে বপণ করেন সমাজতন্ত্রের বীজ। যা পরবর্তী জীবনে ব্লেইকের জীবনে গতিপথ নির্ধারণে সাহায্য করে।

ব্লেইক ১৯৩৯ সালে ফিরে আসেন নেদারল্যান্ডসে। এসে থাকতেন দাদীর সাথে রটারডামে। কিছুদিনের মধ্যেই জার্মান বাহিনী আক্রমণ করে শহরে। এসময় তার মা-বোনেরা পালিয়ে চলে যান ইংল্যাল্ডে। কিন্তু ব্লেইক থেকে যান। তিনি যখন বুঝতে পারেন, জার্মান বাহিনীর ইংল্যান্ডে আক্রমণের পরিকল্পনা নেই, তিনি যোগ দেন হিটলার বিরুদ্ধে ডাচ আন্দোলনে।

ব্লেইক জানান, তার বয়স তখন ১৮, কিন্তু দেখাতো আরো কম । তাই তার পক্ষে খবর আদানপ্রদানের কাজটি বেশ সহজ ছিল। পরবর্তী দুই বছর তিনি জার্মানির বিরুদ্ধে লড়াইরত বিভিন্ন বিপ্লবী দলের মধ্যে খবর আদানপ্রদানের কাজটি করেছেন। একটা সময় তিনি মনস্থির করলেন ফিরবেন ইংল্যান্ডে ।

যুক্তরাজ্যে পালিয়ে এসে ১৯৪৪ সালে যোগ দেন ব্রিটিশ নেভিতে। পরে তাকে ব্রিটিশ সিক্রেট সার্ভিসেরÑএমআইসিক্সের হয়ে কাজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ডাচ রেসিস্ট্যান্সের পাঠানো সাংকোতিক বার্তার পাঠোদ্ধার ছিল তার কাজ।

উত্তর কোরিয়া থেকে মুক্ত হবার পর বার্লিন বিমানবন্দরে ব্লেইক (বামে) ।ছবি ; স্কাই নিউজ

যুুদ্ধের পর তাকে পূর্ব জার্মানিতে বদলি করা হয় দখলদার সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য। এখানেও   সফল ব্লেইক। তার উপর খুশি কর্তৃপক্ষ। পাঠানো হলো কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাশিয়ার উপর পড়াশোনা করতে। জর্জ ব্লেইক বলেন, ক্যামব্রিজের শিক্ষা কমিউনিজমের প্রতি বোঝাপড়া বাড়াতে আমাকে সাহায্য করেছে। সোভিয়েতের জন্য কাজ করার ইচ্ছাটা এগিয়ে নিতেও সাহায্য করে।

বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ক্যামব্রিজে উনার শিক্ষক ছিলেন প্রফেসর ড. এলিজাবেথ হিল। তিনি টিউটোরিয়ালে রাশিয়ার ব্যাপারে একধরণের রোমান্টিক প্রশংসা করতেন। যা কিছু সেরা তার সঙ্গে তিনি রাশিয়াকে জুড়ে দিতেন। এভাবেই তার নিজের মধ্যেও রাশিয়ার প্রতি তার একটি ভালোবাসা জন্মে।

জীবনে বাঁকবদল

১৯৪৮ সালে তাকে নতুন এসাইনমেন্ট দিয়ে পাঠানো হয় দক্ষিণ কোরিয়ায়। দায়িত্ব বর্তায় উত্তর কোরিয়া, চীন ও সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্টদের ব্যাপারে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ।

এরই মধ্যে এলো ১৯৫০ সাল। শুরু হলো উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে তুমুল লড়াই। উত্তর কোরিয়ার পক্ষে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও অপরদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় আমেরিকার মদদপুষ্ট সরকার। যুদ্ধের এক পর্যায়ে উত্তর কোরিয়ার সৈন্যরা সিউল দখর করে। অনেকগুলো দেশের কুটনীতক ও দূতাবাসের কর্মীদের সঙ্গে বন্দি হোন ব্লেইকও। 

এসময়টাই জর্জ ব্লেইকের জীবনের বাঁকবদলের মুহূর্ত। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এ সময়ে তার মাথায় কমিউনিজমের পক্ষে মগজধোলাই করা হয়েছিল কি না? ব্লেইক বলেছিলেন না।

বরং আমেরিকার যুদ্ধনীতিই তার মনোভাব বদলাতে সাহায্য করে। যুদ্ধবিমানগুলো কোরিয়ার ছোট্টগ্রামের উপর উপর্যুপরি বোমা ফেলত। নিরীহ অসহায়  নারী-পুরুষ ও শিশু মারা পড়ে বোমায়। এ করুণ দৃশ্য আমাকে হতবিহবল করে। আমি লজ্জিত হই। আমার মনে প্রশ্ন জাগে পশ্চিমা দেশগুলো আদতে এসব কি করছে ? আমার মনে হতে থাকে আমি বোধহয় ভুল পথে হাঁটছি।

বন্দিদের জন্য সোভিয়েত মিশন থেকে পাঠানো এক কপি বইও তার উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে বইটি কার্ল  মার্কসের দাস ক্যাপিটাল।  তিনি বলেন, আমার মনে হয়েছে যদি কমিউনিস্ট ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকে, তাহলে সেটা মানবতার জন্য মঙ্গলকর, এটি যুদ্ধ বন্ধ করতে পারবে।

তার ভাবনার জগতে এতোই পরিবর্তন আসে যে তিনি মস্কোতে চিঠি লেখে পাঠান, আমি তোমাদের হয়ে কাজ করব! সঙ্গে সঙ্গে কেজিবির একজন অফিসার তার সাক্ষাৎকার নেন।

নতুন ডাবল এজেন্ট ব্লেইক

১৯৫৩ সালে তিনি বন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি পান। ফিরে আসেন ব্রিটেনে। ততোদিনে তিনি পুরোদস্তুর একজন সোভিয়েত গুপ্তচর।  ১৯৫৫ সালে এমআই সিক্স তাকে নতুন মিশনে পাঠায় বার্লিনে।

সোভিয়েতের কর্মকর্তাদের ডাবল এজেন্ট হিসেবে যোগ দেওয়াতে রাজি করাতে হবে।  সদ্য ডাবল এজেন্ট হিসেব দায়িত্বপাপ্ত একজন গুপ্তচরের জন্য এরচেয়ে মোক্ষম সুযোগ আর কী হতে পারে?  গোপনে তিনি সোভিয়েত হ্যান্ডলারের কাছে তুলে দিতেন ব্রিটিশ ও  আমেরিকানদের গুরুত্বপূর্ণ সব নথি।

 ৯  বছর ধরে তিনি এই কাজ করেন সন্দেহের বাইরে। গোপন নথির ছবি তুলে দিয়ে আসতেন সোভিয়েত হ্যান্ডলারের হাতে।

 গ্রেফতার, সাজা ও ফেরারি আসামি

সব কিছু ঠিকই ছিল । গোল বাঁধে মাইকেল গোলেনিয়স্কি নামে এক পোলিশ সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তার কারণে। তিনি পক্ষ ত্যাগ করে ভেড়েন পশ্চিমা গোয়েন্দাদের দলে। সাথে করে নিয়ে আসেন বিশ্বাসঘাতত জর্জ ব্লেইকের কুকর্মের তথ্যও। মাথায় হাত ব্রিটিশ গোয়েন্দা বাহিনীর।  গ্রেফতার হন চোখের সামনে থাকা ব্লেইক।

সেসময় গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে যাদের সাজা হয়েছিল তাদের প্রত্যেকের ১৪ বছর করে সাজা হয়েছিল।  ব্লেইক সেরকম কিছু একটা প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু তার প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য ১৪ বছর  করে ৪২ বছর সাজা দেওয়া হয়।

যাবজ্জীবন দন্ড ব্যতিরেকে সেটি ছিল তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশ আদালতের সবচেয়ে বেশি সময়ের সাজা। ব্লেইক বলেন, রায় ঘোষণার পর দেখা গেছে বহু লোক আমাকে সাহায্য করার জন্য ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। ওদের মনে হয়েছে আমার সাথে অমানবিক আচরণ করা হয়েছে।

তাকে রাখা হয় লন্ডনের ওয়ার্মউড কারাগারে। এসময় তার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে উঠে আয়ারল্যান্ডের পরাধী শন বোর্কের সাথে। মাইকেল র‌্যান্ডল ও প্যাট পটল নামে পরমাণুবোমা বিরোধী দুই শান্তি আন্দোলনকর্মী ছিলেন তার সাথে জেলে।

দ্বিতীয় স্ত্রী ও সন্তানের সাথে ব্লেইক। ছবি : সান

এই তিনজনই জর্জকে কৌশলে সবার চোঁখ ফাকি দিয়ে জেলখানার দেওয়াল বেয়ে পালাতে সাহায্য করেন।  তার জন্য দেওয়ালের বাইরে রাখা ছিল মাইক্রোবাস। ১৯৬৬ সালের জেল পালানোর এ ঘটনা লজ্জায় ফেলে তৎকালীন হ্যারল্ড উইলসন সরকারকে। 

বন্ধুরা তাকে একটি গোপন সেফ হাউসে কিছুদিন লুকিয়ে রাখেন। তারপর পাঠিয়ে দেন রাশিয়ায়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত রাশিয়াতেই বাস ছিল তার। কেজিবি থেকে কর্নেল পদবী দেন। পেতেন অবসরকালীন ভাতাসহ আনুষঙ্গিক সুযোগসুবিধা। মস্কোতে তাকে ফ্ল্যাট দেওয়া হয়। ২০০৭ সালে পুতিন অর্ডার অব ফ্রেন্ডশিপ পদকে ভূষিত করেন তাকে।

 অনুতাপ নেই কোনো

তাকে খুবই বিপজ্জনক স্পাই মনে করা হতো। কারণ তিনি যা করেছেন আদর্শতাড়িত হয়ে করেছেন। অর্থ বা সুযোগ-সুবিধার লোভে নয়।  তাই কর্মকান্ডের জন্য তিনি অনুতাপ করেননি।  বলতেন বিশ্বাসঘাতকতা করতে হলে তো, আগে তো তা বুকে ধারণ করতে হয়, আমি তো বিশ্বাসই করিনি।

তবে তার জন্য ৪১ জন ব্রিটিশ গোয়েন্দাকে প্রাণ হারাতে হয়েছে সেজন্য তিনি গভীরভাবে দু:খিত বলে স্বীকার করেছেন। যখনই কোনো মৃত এজেন্টের মুখ তার মনের জানালায় এসে ভিড় করে, তিনি সঙ্গে সঙ্গে জোর করে মনের সেই জানালা বুজে দেন।

তিনি যখন ব্রিটেন ছেড়ে পালান পেছেনে রেখে যান তিন ছেলে ও স্ত্রীকে। ৮০ এর দশকে ছেলেরা মস্কো গিয়ে বাবার সঙ্গে দেখা করেছেন। ওদিকে রাশিয়াতেও তার এক ছেলে আছে। ২০১২ সালে ব্লেইকের বয়স যখন ৯০ তখন তার প্রথম স্ত্রী জিলিয়ান বাটলার তার ছেলেদের নিয়ে ফের মস্কো গিয়ে দেখা করেন।

এতো বছর ধরে ব্লেইক সিনেমা, উপন্যাস, নাটক, ডকুমেন্টরি  ও সম্প্রচার মাধ্যমের বিষয় হয়েছেন। আলফ্রেড হিচকক তাকে নিয়ে সিনেমাও বানাতে চেয়েছিলেন কিন্তু তার আগেই তিনি মারা যান। 

 যে কমিউনিজমের জন্য এতো কিছু করেছেন, রাশিয়া ফিরে গিয়ে তার মোহভঙ্গ ঘটে। খ্রিস্টান ধর্মের ক্যালভিনিজম ধারায় বিশ্বাসী ছিলেন ব্লেইক। 

পক্ষত্যাগ বা গুপ্তচর জীবনের বড় বড় সিদ্ধান্তগুলো নেওয়ার পেছনে তাই ক্যালভিনিস্টদের সবকিছুই পূর্ব নির্ধারিত ও ঈশ্বরের ইচ্ছাতেই সব হয়- এ আলোকেই ব্যাখা করেছেন। অর্থাৎ তিনি যা করেছেন এর বাইরে তার আর কিছু করার ছিল না।

তথ্যসূত্র: বিবিসি, গার্ডিয়ান, টেলিগ্রাফ, নিউইয়র্ক টাইমস ওয়াশিংটন পোস্ট।

 লেখক : পলাশ সরকার

এখানে মন্তব্য করুন :