পরিত্যক্ত শিশুটি এক সময় হন পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট

পরিত্যক্ত শিশুটি এক সময় হন পার্লামেন্টের ভাইস প্রেসিডেন্ট


ফৌজিয়া কুফি তখন মায়ের গর্ভে। তার মা খুব করে চাচ্ছিলেন, একটা ছেলে সন্তান হোক। কারণ, এর আগে যত সন্তান জন্ম দিয়েছেন সব কটিই মেয়ে।


আবারও মেয়ে জন্মালে স্বামীর কাছে আর তার কোনো মূল্য থাকবে না। স্বামী পুত্রসন্তানের আশায় ফের বিয়ে করতে পারেন। আদর দূরে থাক, তার দিকে ফিরেও চাইবে না। আর যদি একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন, তাহলে তার কদর বেড়ে যাবে, অন্য স্ত্রীদের চেয়েও তাকে বেশি ভালোবাসবেন, কাছে রাখবেন।


কিন্তু ফৌজিয়া কুফির মায়ের আশা পূরণ হয়নি। তিনি আবারো কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছেন, স্বামীকে খুশি করতে পারেননি। মেয়ে হওয়ার খবর শুনে তার স্বামী তাকে দেখতে আসা তো দূরের কথা, নবজাতকের মুখই দেখেননি।
মায়ের সব হতাশা আর দু:খের কারণ মনে হয় সদ্যোজাত সন্তানটিকেই। এমন সন্তান তার চাই না, যে কিনা তার মায়ের দুর্ভোগের কারণ হয়েছে, যে কিনা নিজের মাকে বাবার কাছ থেকে দূরে ঠেলে ফেলার কারণ হয়েছে। তাই রাগ করে মা করলেন কি এই মেয়েকে ফেলে আসলেন ঘরের বাইরে।
আফগানিস্তানের তপ্ত মরুভূমিতে ফেলে দিলেন ফুটফুটে কন্যা সন্তানকে। প্রচন্ড গরমে, কঠোর-রুক্ষ প্রকৃতির মধ্যে সারাদিন হাত-পা ছুঁড়ে কেঁদেছিল ছোট্ট শিশুটি। ওদিকে মায়ের মনে তোলপাড় চলছে, একটা সময় মনস্থির করলেন, মেয়েকে ফিরিয়ে আনবেন।
মা আবার কোলে তুলে নিলেন তার ছোট্ট সোনামনিকে। ততক্ষণে সূর্যের জলন্ত আগুনের হলকায় মেয়েটির সারা গায়ে ফোসকা পড়ে গেছে, হয়ে পড়ে অসুস্থ ।
সেইদিনের ফেলে দেওয়া মেয়েটি বড় হতে হতে আরো বেশ কয়েকবার মৃত্যুমুখে পড়েছিল। কয়েকবার হয়েছিল হামলার শিকার । কিন্তু, প্রতিবারই মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসে হয়েছেন আরো বেশি সাহসী ও প্রত্যয়ী।

দুই কন্যার সঙ্গে ফৌজিয়া কুফি। ওরা কাবুল ইউনির্ভার্সিটিতে অধ্যয়নরত। ছবি : টুইটার


পুরুষশাসিত আফগানিস্তানে সৃষ্টি করেছেন নতুন নতুন ইতিহাস। হয়েছেন সংসদ সদস্য, আফগানিস্তান পার্লাামেন্টের প্রথম ভাইস-প্রেসিডেন্ট।


আমেরিকার নেতৃত্বে আফগানিস্তানের সঙ্গে তালেবানের শান্তি আলোচনা চলছে। ফৌজিয়া কুফি আফগান সরকার পক্ষের ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দলের একমাত্র নারী সদস্য।
সেই চুক্তির অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে আফগান সরকার ও তালেবান নিজেদের কাছে থাকা বন্দিদের মুক্তি দিচ্ছে। তালেবান আএএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ জারি রাখবে এই আশ্বাসে মার্কিন ও ন্যাটো সৈন্য আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে।


মুজাহিদ ও তালেবান আমলে উত্তপ্ত ও টালমাটাল হয়ে উঠে আফগানিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সেই আগুন এসে পোড়ায় ফৌজিয়াদের পরিবারকেও।
আশির দশকে প্রথম আফগান যুদ্ধের সময় মুজাহিদদের হাতে খুন ফৌজিয়ার বাবা আবদুর রহমান। তিনি ২৫ বছর ধরে বাদশাখান প্রদেশের একটি আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন। এরপর তালেবানরা এসে হত্যা করেছে ফৌজিয়ার চার ভাইকে। ফৌজিয়ার স্বামীর মৃত্যুর পরোক্ষ কারণও তালেবান শাসন।


ফৌজিয়া কুফির পরিবার ছিল রক্ষণশীল। পরিবারটির রাজনৈতিক ঐতিহ্যও রয়েছে। বাবার মতো দাদাও ছিলেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। আফগান সমাজে তখন পুরুষদের বহুবিয়ে মামুলি বিষয়। তার বাবা সাতটি বিয়ে করেন। ২৩ ভাইবোনোর মধ্যে কুফি ছিলেন ১৯ তম।
মেয়ে হওয়ার অপরাধে ফৌজিয়া জন্মের প্রথম দিনই পরিবার থেকে পরিত্যক্ত হয়েছিলেন। যতই বড় হচ্ছিলেন দেখতে থাকেন মেয়ে হওয়ায় কী ধরনের বৈষম্যের শিকার তারা। আফগানিস্তান হলো মেয়েদের জন্য সারা পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশের একটি।

ফৌজিয়া কুফির আত্মজীবনীমূলক বই ‘লেটারস টু মাই ডটারস।’ ছবি : অ্যামাজন


পরবর্তীতে আমরা দেখব ফৌজিয়া কুফির জীবন সংগ্রামই হলো নারীদের সামাজিক প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে। নারীদের একটি নিরাপদ ও সুন্দর জীবন দেওয়ার, চার দেওয়ালে বন্দি নারীদের মুক্ত করে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার প্রচেষ্টার মধ্যে দেখব তাকে। এই সংগ্রামে ফৌজিয়া তার মায়ের সমর্থনই পেয়েছিলেন বেশি।


ফৌজিয়া তার মাকে দেখেন, তার অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে। যিনি খুব ছোটবেলাতেই মেয়ের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছেন বড় হয়ে তিনি বিরাট কিছু একটা হবেন।
ফৌজিয়ার ভাষায়, ‘আমি জানতাম না সেটা কী। কিন্তু মা আমার মধ্যে একটা বিশ্বাস ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন, যে আমি বড় কিছু একটা হব। কিন্তু, সেটা কী তা জানি না।’

ফৌজিয়া যখন বাবাকে হারান, তার বয়স মোটে সাড়ে তিন। খুব পরিশ্রমী ছিলেন। রাজনৈতিক কারণেই কাবুলেই বেশি থাকা হতো। আর বাড়িতে আসলে তিনি তার রাজনৈতিক লোকজন ও এলকার দর্শনার্থীদের সঙ্গে বেশি সময় দিতেন। তাই বাবার ¯েœহ ও ভালোবাসা সেই অর্থে তার পাওয়ার সুযোগ হয়নি।

ফৌজিয়া বলেন, ‘মনে আছে, বাবার সঙ্গে দেখা হলে, একটা কথাই বলতেন, যাও এখান থেকে।’
আবদুর রহমানের মৃত্যুর পর পরিবারটিকে কঠিন জীবনযুদ্ধে পড়তে হয়। বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠী পরিবারের অন্য সদস্যদের গুম-খুনের চেষ্টায় নামে। জীবন বাঁচাতে পাহাড়ি ছোট্ট গ্রাম ছাড়তে হয় তাদের। আশ্রয় নেয় ফায়েজবাদ শহরে। এখানেই ফৌজিয়া স্কুল যাওয়া শুরু করেন ইতিহাস সৃষ্টি করে। ওই পরিবারের প্রথম মেয়ে যে কিনা স্কুলে যাচ্ছে।
তার বাবা গ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠা করলেও সেখানে শুধুই ছেলেদের পড়ার সুযোগ ছিল। কোনো মেয়ে সেখানে পড়তে যেতে পারত না। বাবা যেহেতু নেই, ভাইয়েরা শুরুতে আপত্তি করল। কিন্তু মায়ের সমর্থনে ফৌজিয়া যাওয়া শুরু করল স্কুলে।
ফৌজিয়া বলেন, ‘শহরে এসে প্রথম টেলিভিশন দেখার সুযোগ মেলে। টেলিভিশনে সংবাদ দেখতাম, বিশ্ব নেতাদের দেখার সুযোগ পাই। বিশেষ করে ভারতের প্রধানমন্ত্র ইন্দিরা গান্ধী ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারকে দেখে অন্যরকম অনুভূতি হতো। এগুলো আমাকে ভাবাতে বাধ্য করেছে। আমি ভাবতাম কীভাবে একজন নারী পার্লামেন্টে পুরুষ সদস্যদের সামনে বক্তৃতা করছেন। কীভাবে তারা তাদের দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ।’


‘এসব প্রশ্ন আমার হৃদয়ের অদৃশ্য বন্ধ দ্বার খুলে দেয়। নিজেকে নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করলাম। মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছি বড় হয়ে আমিও তাদের মতো রাজনীতিতে ঢুকব।’
১৯৯২ সালে তালেবান যখন ক্ষমতায় এলো ফৌজিয়া মেডিক্যালে পড়েন। তালেবান এসে মেয়েদের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। তার আর মেডিক্যালে পড়া শেষ হলো না।


১৯৯৭ সালে ফৌজিয়া পরিবারের ইচ্ছায় বিয়ে করেন রাসায়নিক প্রকৌশলী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হামিদ আহমাদিকে। ফৌজিয়া বলেন, ‘বিয়ের পর পরই তালেবান এসে আমার স্বামীকে ধরে নিয়ে যায়। জেলে পুরে রাখে। তার একমাত্র অপরাধ সে আমাকে বিয়ে করেছ। আমার হাতের মেহেদির রং তখনো মুছেও যায়নি।’


‘ সেসময় কোনো নারী একা বাইরে বের হতে পারত না। আর যদি কারো বাইরে যেতে হতো, সাথে একজন পুরুষ আত্মীয়কে রাখতে হতো। নিয়মের ফাঁদে ফেলে আমাকে ঘরের ভেতর আটকে রাখা ছিল তালেবান নেতাদের উদ্দেশ্য।’
তিনবার জেল খাটেন হামিদ। জেলে থাকতে থাকতে তিনি যক্ষ্মা বাঁধান। তাদের আট বছরের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে ২০০৩ সালে হামিদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। তাদের দুটি মেয়ে আছে।

ওই তালেবান আমলেই ফৌজিয়া ফিরে যান তার জন্মস্থানে। কারণ ওই প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ তালেবান নিতে পারেনি। সেখানে গিয়ে হোমস্কুল শুরু করেন। ছেলেমেয়েদর ইংরেজি ও বিজ্ঞান পড়াতেন। একটা সময় শুরু করলেন নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা । পরে তিনি আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফে যোগ দেন।

সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কন্ডোলিজা রাইসের সঙ্গে ফোজিয়া কুফি। ছবি: উইকিপিডিয়া


রাজনীতি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুটি মাস্টার্স করেন তিনি। কিছুদিন কাবুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন অনুষদে পড়িয়েছেন ফৌজিয় কুফি।
২০০১ সালে তালেবান শাসনের পতন হয়। আস্তে পরিবেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী আবারো আসতে শুরু করে। ২০০৫ সালে আফগানিস্তানে গণতান্ত্রিকপদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ফৌজিয়া কুফি নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি বলেন, ‘কয়েকটি কারণে আমি এই সিদ্ধান্তে আসি। প্রথমত: আমার এলাকার লোকজন চাইছিল, আমি ভোটে অংশ নেই। দ্বিতীয়ত: মেয়ে হওয়ার জন্য ছোটবেলা থেকে বৈষম্য, বঞ্চনা ও প্রতিকূল পরিবেশ দেখেছি, তা আমি বদলাতে চেয়েছি। তৃতীয়ত: এই নির্বাচনকে আমি নারীদের রাজনীতিতে অংশ নেওয়ার সুেেযাগ হিসেবে দেখেছি।’

আফগানিস্তান পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণে নারীদের জন্য বিশেষ কোটা সংরক্ষিত রয়েছে। চাইলে ফৌজিয়া সেই নারী কোটায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। পুরুষ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাদশাখান থেকে নির্বাচনে দাঁড়ান।

তার বন্ধুরা সতর্ক করে বলেছিলেন, এতো অভিজ্ঞ ও ঝানু রাজনীতিকদের সঙ্গে প্রথমবার দাঁড়িয়ে, তাও আবার নারী প্রার্থী, জেতারতো সম্ভাবনা কম। তার উপর তুমি বাকপটু নও। ওদেরতো বক্তৃতা লিখে দেওয়ার কত উপদেষ্টা আছেন। তুমি কী করবে?


ফৌজিয়া বক্তৃতার মঞ্চে গিয়ে তার মনের কথাগুলোই বলতেন। তার সামর্থ্য, যোগ্যতা, শক্তি, অভিজ্ঞতা ও মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছার কথা তার মতো করে বলতেন। তার কী কী দুর্বলতা আছে, তাও বলে দিতেন। এমনই এক বক্তৃতা দেওয়ার পর দেখা গেল উপস্থিত লোকজন করতালি দিচ্ছে তো দিচ্ছে, থামাথামির কোনো নাম নেই।

ফৌজিয়া বলেন, “আমাদের আফগানিস্তানে একটি প্রবাদ আছে: ‘যদি তোমার হৃদয় থেকে কিছু উত্থিত হয়, সেটা হৃদয়ের মধ্যেই জায়গা করে নেবে।’ আমি যা বলতাম, আমার মনের কথাই, আর লোকজন আমার কথা তাদের মনে স্থান দিয়েছে। ”


ফৌজিয়া আরো বলেন, ‘আমি এমন এক পার্লামেন্টে গিয়েছি, যেখানে অধিবেশন কক্ষে আলোচনা-তর্কের সময়ও সদস্যরা পরস্পরের বিরুদ্ধে অস্ত্র তাক করত। আমরা এই চিত্রটি বদলে দিতে পেরেছি। ভোটাভুটির সময় আমি হলুদ ও সবুজ কার্ডের ব্যবস্থা করেছি।’


‘একটা বিষয় আমি অনুধাবন করেছি, কোনো জাতিকে শুধু হত্যা করলেই সেই জাতি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় না। বরং একটি জাতিকে যদি ক্রমাগত তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয় এবং শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ না দেওয়া তাহলে, সেই জাতি এমনিতেই শেষ হয়ে যাবে।’

ফৌজিয়া কুফির ওপর হামলা ও তাকে হত্যাচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এখনো। গত আগস্টেই একবার কাবুলের কাছে তার ওপর হামলা হয়। ডান বাহুতে জখম হয় তার। কিন্তু তিনি ভয় পাননি, দমেও যাননি। তার উপর চালানো আরেকটি হামলা থেকে বরং এমন এক শিক্ষা পেয়েছেন যেটি তার চলার পথের পাথেয়।


সেবার নির্বাচনী কাজে গিয়েছিলেন দক্ষিণের এক এলাকায়। কাজ শেষে ফিরছিলেন তার গাড়িবহর নিয়ে। সঙ্গে বোন ও তার এক মেয়ে। হঠাৎ তার গাড়ির ওপর হামলা শুরু হলো। গাড়ির সিট থেকে নেমে মেয়েকে নিয়ে নিচু হয়ে বসে রইলেন। যাতে মাথায় গুলি না লাগে। ওদিকে আতংকিত চালক স্টিয়ারিংয়ের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছেন। গাড়ি ছুটছিল টালমাটাল অবস্থায়।


সেদিনের কথা মনে করে ফৌজিয়া বলেন, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছিল, গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়বে। ওই অবস্থাতেই ভাবছিলাম, এভাবে মরলে কাল পত্রিকায় খবর হবে : সড়ক দুর্ঘটনায় ফৌজিয়া কুফির মৃত্যু। আমি এমন খবরের বিষয়বস্তু হতে চাই না। আরো মহৎ উদ্দেশ্যে মরতে চাই। আমি আবারো সিটে উঠে বসলাম। গুলি লাগলে লাগুক। আমি ড্রাইভারকে সঠিকভাবে গাড়ি চালাতে পেছন থেকে উৎসাহ দিতে লাগলাম। আমার গাড়ি নিরপদে পৌছে গন্তব্যে’।

তথ্যসূত্র: ডেইলি নিউজ, এএফপি, উইকিপিডিয়া ও টেডটক ।

লেখক : পলাশ সরকার

এখানে মন্তব্য করুন :